বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: তৃণমূল (Trinamool Congress) ত্যাগ করেও বিজেপিতে যোগদান নয়, বরং ভারতের রাজনীতিতে এক অস্তিত্বহীন দল NCPI এর অংশ হয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা (NCPI Mps)। তবে, মমতার সঙ্গ ছেড়ে যাওয়া সাংসদরা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তাঁরা বিজেপিতে যুক্ত না হলেও শরিক হিসেবে NDA-কে সমর্থন করছেন। এবার সে বিষয়টাই আরও স্পষ্ট হয়ে গেল। মঙ্গলবার, সংসদে মঙ্গল মিলন কর্মসূচির মাধ্যমে একেবারে আনুষ্ঠানিকভাবে NDA জোটে স্বাগত জানানো হল NCPI সাংসদদের।
মোদি, শাহদের একই সারিতে কাকলি
এদিন, একেবারে আনুষ্ঠানিকভাবে NDA-র শরিক হয়ে গেল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া। মঙ্গলবার, সংসদের বিশেষ কর্মসূচির দিন একই সারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংদের সাথেই বসে থাকতে দেখা গেল বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। পেছনের দিকের সারিতে বসে থাকতে দেখা গেল বাকি সাংসদদের।
এদিন একেবারে ঘটা করে NCPI সাংসদদের নাম ধরে পরিচয় পর্ব সারা হল। আর সমস্ত আনুষ্ঠানিকতার পর তৃণমূল ত্যাগী সাংসদদের সাথে আলাদা করে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল ত্যাগী সাংসদ জুন মালিয়া, শতাব্দি রায়, শর্মিলা সরকাররা জানালেন, অত্যন্ত সুশৃংখলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বৈঠক। এমন অভিজ্ঞতা তাঁরা আগে সঞ্চয় করেননি। সব মিলিয়ে বলাই যায়, সরাসরি বিজেপিতে যোগদান না করে আপাতত NDA এর শরিক হয়েই রইলেন তৃণমূল ত্যাগী সাংসদরা।
অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বকাপের সেরা গোল কোনটি জানাল FIFA, লজ্জায় পড়লেন মেসিরা!
উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর একে একে 20 জন সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন। পরবর্তীতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাথে দেখা করার সাথে সাথে NCPI দলটিতে যোগদান করেন তাঁরা। বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় নাম আছে দেব, রচনা, সায়নী, জুন মালিয়া, শতাব্দি রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, পার্থ ভৌমিক সহ একাধিক পরিচিত মুখের।