আরও আত্মনির্ভর ভারত, প্রথম মেক ইন ইন্ডিয়া এক্সপেন্ডেবল টার্বোজেট ইঞ্জিন তৈরি করল DRDO

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হল দেশের প্রথম মেক ইন ইন্ডিয়া (Make In India) এক্সপেন্ডেবল টার্বোজেট ইঞ্জিন (Expendable Turbojet Engine)। যা তৈরি করল হায়দরাবাদ ভিত্তিক জনপ্রিয় সংস্থা আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। গত বুধবারই, এই বিশেষ টার্বোজেট ইঞ্জিনটি তুলে দেওয়া হয়েছে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা বা DRDO এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হাতে। আর এই কর্মকাণ্ডের পরই আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের শেয়ারেও বড় ধরনের উত্থান দেখা গিয়েছে। আর্থিক দিক থেকে লাভবান হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বড় সাফল্য ভারতের!

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, 350 কেজি থ্রাস্ট ক্লাসের প্রথম এক্সপেন্ডেবল টার্বোজেট ইঞ্জিন উন্নত মহাকাশ এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের জন্য বিরাট সাফল্য বা মাইলফলক। এর মধ্যে দিয়ে উন্নত মহাকাশ প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও অনেকটাই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠল ভারত।

বলাই বাহুল্য, জিটিআরই ইঞ্জিনটির উৎপাদন ও সংযোজনের জন্য আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডকে নিজেদের অংশীদার হিসেবে নির্বাচন করেছিল ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।  ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে এই বিশেষ জেট ইঞ্জিন প্রযুক্তিতে হাতেগোনা কিছু দেশ সাফল্য পেয়েছে। সেই তালিকায় ভারতের নাম একেবারে প্রথম দিকেই।

অবশ্যই পড়ুন: আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেই A সেলিব্রেশন বৈভবের, এর অর্থ কী?

মন্ত্রণালয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, DRDO বা ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে এই জেট ইঞ্জিনটির নকশা তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। সেই নকশা দেখেই দেশীয় প্রযুক্তিতে সেটিকে তৈরি করেছে আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং। জানা গিয়েছে, আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং এর রাকেশ চোপদার একেবারে আনুষ্ঠানিকভাবে বুধবার বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও মহাপরিচালক (অ্যারোনটিক্যাল সিস্টেমস) ডঃ কে. রাজলক্ষ্মী মেনন এবং অসামান্য বিজ্ঞানী ও জিটিআরই-এর পরিচালক ডঃ এসভি রামানামূর্তির কাছে ইঞ্জিনটি হস্তান্তর করেন। আশা করা যাচ্ছে, ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে অ্যান্টি ড্রোন মিসাইল সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারতের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে এই ইঞ্জিন।

Leave a Comment