অনন্যা সরকার, কলকাতা: বর্তমানে যুগে হাতে লেখা নথিপত্রগুলি সহজেই ডিজিটাইজ করা যায়। গুরুত্বপূর্ণ নথি যাতে হারিয়ে না যায়, তাই অনেকেই তাদের ফোনে সফট কপি বা নথির ছবি সেভ করে রাখেন। তাহলে অনেকসময় পুরোনো নথিপত্রের অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছে যায় যে, সেগুলি সঙ্গে নিয়ে ঘোরা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন পরিচয়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রগুলিও ডিজিটাল সংস্করণও এসে গেছে। যদি হাতে লেখা কপি কাছে নাও থাকে, তাহলে আধার কার্ড, রেশন কার্ডের মতো নথিপত্রের ডিজিটাল সংস্করণ বা সফট কপি ফোনে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেটগুলি এখন তাই অনেকেই ডিজিটাইজ করে রাখছেন (Digital Birth Certificate)। আর এটি বাড়ি বসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই করে ফেলা সম্ভব। তবে, যদি অনলাইন প্রক্রিয়া অসুবিধার মনে হয়, তাহলে পুরসভার সাহায্য নিতে পারেন। তিনটি মাত্র নথি থাকলে সহজেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে যাবেন। কোন কোন নথি? আসুন জেনে নেওয়া যাক।
ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট তৈরি করতে কোন কোন নথি প্রয়োজন?
বাড়িতে বসে অনলাইনে বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাইজ করার প্রক্রিয়া কঠিন মনে হলে বা অন্য কোনো অসুবিধা থাকলে অফলাইনে বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েকটি মাত্র নথি দিয়েই ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র বানিয়ে ফেলা সম্ভব।
ছোট বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করা থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটের প্রয়োজন রয়েছে। তাই এই জরুরি কাজে নাগরিকদের সাহায্য করতে জন্য এগিয়ে এসেছে পুরসভা। যে কেউ চাইলে প্রশাসনিক কার্যালয়ে গিয়ে সহজেই ডিজিটাল জন্ম শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা নিয়ে বিরাট সুখবর শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী
পুরসভা সূত্রে জানা গেছে যে, হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্রকে ডিজিটাল সার্টিফিকেটে রূপান্তর করার জন্য আবেদনকারীকে একটি সাদা কাগজে তার মোবাইল নম্বর সহ একটি আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এর সাথে থাকতে হবে আরও কয়েকটি নথি। এগুলি হল – আবেদনকারীর হাতে লেখা জন্ম সনদের ফটোকপি, তার মা ও বাবা উভয়ের আধার কার্ড ও ভোটার আইডি কার্ডের কপি। এগুলো জমা দিলেই ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট পাওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে।
তবে, এই মুহূর্তে আপনার স্থানীয় পৌরসভায় এই প্রক্রিয়াটি চালু রয়েছে কিনা, তা আগে খোঁজ নিয়ে দেখুন। যেমন অনেকদিন ধরে বন্ধ থাকার পর কৃষ্ণনগর পৌরসভায় আবার বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাইজ করার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া মাত্রই কর্মীরা ডিজিটাল সার্টিফিকেটটি প্রদান করছেন।