=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

গাঁয়ে প্রথমবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে কেউ, সুনীলার জন্য গর্বিত উত্তরবঙ্গের এই প্রত্যন্ত গ্রাম

Jalpaiguri

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ছোট থেকেই ইচ্ছা নার্স হওয়ার, কিন্তু প্রতিকূল পরিবেশ এবং আর্থিক অনটন বার বার স্বপ্নের দৌঁড়ে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে চিন্তা কীসের? যেখানে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে খোদ বাবা-মা। যেভাবেই হোক প্রতিটি পদে পদে লড়াই করে তাঁকে এগিয়ে যেতেই হবে স্বপ্ন পূরণের আশায়। এদিকে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) গ্রাম থেকে সে-ই প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী! সেক্ষেত্রে দায়িত্বের বোঝা অনেকটাই বেশি। তাইতো জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন ছুঁতে রীতিমত দিন রাত এক করে পড়ছেন জলপাইগুড়ির প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে সুমিলা ওঁরাও।

শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি এই গ্রামে

জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি ব্লকের বুধুরাম বনবস্তি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে একজনও মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোননি। সকলেই সেখানে আর্থিক অনটনের চাপে পড়ে কেউ কৃষিকাজ করছে কেউ বা আবার চা-বাগানের শ্রমিক হিসাবে কাজ করছে। এদিকে ২০১১ সালের রিপোর্ট বলছে, জলপাইগুড়ি জেলায় সাক্ষরতার হার ৭৩.২৫ শতাংশ। মহিলাদের সাক্ষরতার হার ৬৫.৭৮ এবং পুরুষদের হার ৮০.৫৭ শতাংশ। কিন্তু কেউ খবর রাখেনি যে এই গ্রামে এখনও শিক্ষার আলো পৌঁছয়নি। তবে এবার সেই গণ্ডি ভাঙল সেই গ্রামের মেয়ে সুমিলা ওঁরাও। জোর কদমে নিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি।

পরিশ্রম করে চলেছে বাবা-মা

জানা গিয়েছে, সুমিলা ওঁরাও বাড়ি থেকে ৭ কিমি দূরে জলপাইগুড়ির পানবাড়ি ভবানী হাই স্কুলে পড়াশোনা করে। দুর্গম রাস্তা হলেও সঙ্গী হিসেবে থাকছে রাজ্য সরকারের দেওয়া সবুজ সাথী সাইকেল। সকালে স্কুল করে একেবারে টিউশন করে বিকেলে সে বাড়িতে ফেরে। প্রথম প্রথম ভয় পেলেও এখন তার কাছে সবটাই অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এদিকে বাড়িতে অর্থাভাব লেগেই রয়েছে। সুমিলার বাবা মঞ্চাল ওরাওঁ কাজের সূত্রে বাইরে থাকলে মা রূপালি ওরাওঁ একা হাতে বাড়ির কাজ সামলায়। এমনকি ঘরের খরচ ওঠাতে কৃষিকাজ এবং চা-বাগানেও কাজ করে। মেয়েদের যাতে পড়াশোনায় কোনো ক্ষতি না হয়, তাতেও নজর রাখেন তিনি।

আরও পড়ুন: টেট থেকে অব্যহতি চেয়ে আন্দোলনে প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশ, বিকাশ ভবনে গেল চিঠি

রূপালি দেবী বলেন, ‘‘যত দূর সামর্থ্য রয়েছে, মেয়েকে পড়াতে চাই। এই এলাকার রাস্তাঘাট খারাপ, পানীয় জলের অভাব। বন্যপশুর আতঙ্ক। নানা সমস্যায় কেউ বেশি দূর পড়াশোনা করতে পারেনি। কিন্তু এখন তো আর আগের যুগ নেই যে পড়াশোনা না করে এমনি থাকবে। মেয়ের পড়াশোনা করে বড় হবে, চাকরি করবে, ওদের সুনাম হবে, এটাই চাওয়া।’’ সুমিলারা চার বোন, তাদের মধ্যে সুমিলাই বড়। তাঁর ইচ্ছা সে বড় হয়ে নার্স হবে। তবে বাইরে কোথাও নয়, নার্স হয়ে সে এলাকার মানুষকে পরিষেবা করবে। এদিকে হবু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে নিয়ে বেশ উৎসাহিত প্রতিবেশীদের একাংশ। যেহেতু হাতে সময় খুবই কম, তাই এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

Leave a Comment