বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফের জাতিসংঘের (United Nations) মঞ্চে পাকিস্তানের (Pakistan) মুখোশ খুলে দিল ভারত (India)! সন্ত্রাসবাদ থেকে শুরু করে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকারের মধ্যে বিষয়গুলি নিয়ে পাকিস্তানের দ্বৈত নীতি আবারও গোটা বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হয়েছে। নয়া দিল্লি আবারও রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে বুঝিয়ে দিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনও অধিকার পশ্চিমের দেশের নেই।
জাতিসংঘে পাকিস্তানকে ফের শিক্ষা দিল ভারত!
সম্প্রতি জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের সচিব ভাবিকা মঙ্গলানন্দন পাকিস্তানের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “এটা অত্যন্ত হাস্যকর বিষয় যে, 1999 সালের কার্গিল যুদ্ধে যারা নিজেদের সৈনিকদের মৃতদেহ নিয়ে যেতে পারেনি, তারাই আজকে ধর্ম, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মতো বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলতে এসেছে।” এদিন জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব একেবারে খোলাখুলি জানান, “আমি ওই দেশটিকে মনে করিয়ে দিতে চাই ভারতীয় সেনাবাহিনীই বহু পাকিস্তানি সৈনিককে পূর্ণ সামরিক মর্যাদা দিয়ে ইসলামীও রীতিনীতি মেনে দাফন করেছিল।”
পাকিস্তান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরে কী চলছে সেসব নিয়ে পাকিস্তানের নাক গলানো উচিত নয়। বরং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে কী হচ্ছে সেসব নিয়ে ভাবা উচিত। পাকিস্তানের প্রতিদিন সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমছে। যাঁরা নিজের দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না তাদের ভারতকে জ্ঞান দেওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই।” সবমিলিয়ে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের পাকিস্তানকে শিক্ষা দিল ভারত!
আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ায় ফিরেই একটি উইকেট না তুলেও বিশ্বের এক নম্বর বোলার হলেন ভুবনেশ্বর কুমার
উল্লেখ্য, ভারত চিরকালই জাতিসংঘে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে এসেছে। শুধু তাই নয়, পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদকে মদত দেয় সেটাও বারবার বুঝিয়ে এসেছে নয়া দিল্লি। একই সাথে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার থেকে শুরু করে অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি পাকিস্তানকে অর্থ সাহায্য করলে সেই অর্থ যে সন্ত্রাসবাদকে মদত দিতে কাজে লাগে সেটাও জানিয়েছে ভারত।