“দিন রাত ভারত ভারত করা বন্ধ করুন!” দেশবাসীকে কড়া বার্তা বাংলাদেশের মন্ত্রীর

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেখ হাসিনার সিংহাসন টলতেই অন্য খাতে বয়ে যায় ভারত-বাংলাদেশের (India-Bangladesh Relations) ঐতিহাসিক সম্পর্ক। মাঝে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ওপার বাংলায় হিন্দুদের ভাগ্যাকাশে নেমে এসেছিল অন্ধকারের কালো ছায়া। নানাভাবে অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল তাঁদের। যার জেরে ভারতের সাথে সম্পর্ক আরও খারাপ হয় বাংলাদেশের (Bangladesh)! তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর জোর দিলেও দেশবাসীকে ভারতের প্রতি আকর্ষণ ত্যাগ করার পরামর্শ দিলেন ওপার বাংলার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির!

ভারতের প্রতি আকর্ষণ ত্যাগ করবে বাংলাদেশীরা?

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল অর্থাৎ রবিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক একাধিক নীতি সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারত প্রসঙ্গে মুখ খোলেন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিবন্ধী হুয়ায়ুন কবির। তাঁর বক্তব্য ছিল, “ভারত শুধুমাত্র একটা দেশ, যার সাথে আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। কিন্তু প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর সকালের নাস্তা করতে ভারত, দুপুরের খাবার খেতে ভারত, রাতের খাবার খেতেও ভারত? তাহলে আপনারা নিজের দেশের খাবার কখন খাবেন? সব সময় শুধু কি ভারত-ভারতই করে যাবেন? নিজের দেশের কথা ভাবুন।”

এদিন, একপ্রকার তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ঘুরিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বললেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক বৈঠক করতে হলে অবশ্যই সেটা করব। আমাদের নেতার পক্ষে তো সব জায়গায় সবার সাথে দেখা করা সম্ভব নয়। অনেক আমন্ত্রণ আসে, তবে তিনি যুক্ত হবেন।” এদিন ভারতের সাথে বাংলাদেশের নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয় নিও মুখ খোলেন হুমায়ুন।

আরও পড়ুন: ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে নিয়মিত ধর্ষণ, কাঠগড়ায় শামির নিজের ভাই

বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারতের সাথে নতুন এবং কার্যকর একটি সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় ঢাকা। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করাই লক্ষ্য! তবে সীমান্ত সংঘাত, হত্যাকাণ্ডের মতো জটিলতার সমাধান করা হবে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আলোচনার মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশের মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে অনেকেই ভারত বিদ্বেষ খুঁজে পাচ্ছেন! এ প্রসঙ্গে অবশ্য মুখ খোলেনি নয়া দিল্লি।

Leave a Comment