সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে SoP জারি করেছে নবান্ন। আর এই নির্দেশিকা দেখেই খুশিতে ডগমগ হয়ে গিয়েছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। সরকারের ওপর তাঁদের আস্থা আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছেই বলে দাবি করা হচ্ছে। সরকারের নতুন ঘোষণা বা সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মীদের কী কী লাভ হবে? এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তবে এরই মাঝে বড় বার্তা দিতে শোনা গেল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক তিনি কী বলেছেন।
সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে কর্মীদের বিশেষ বার্তা
নিজের ফেসবুক পোস্টে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি লিখেছেন, ‘পে কমিশনের SOP প্রকাশ হয়েছে। ভোটের পূর্বে দেওয়া কথা মতোই কাজ হবে নিশ্চিত। বঙ্গের কর্মচারীদের জন্য নতুন যুগের সূচনা হবে।’ এর আগে গ্রান্ট ইন কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়েও তাঁকে ইতিবাচক বার্তা দিতে শোনা গিয়েছিল। যখন কিছু সংখ্যক সরকারী কর্মী সরকারের কাজে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল, তখন ভাস্কর ঘোষ সকলকে আর একটু ধৈর্য ধরার বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘Grant in Aid কর্মীদের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো বকেয়া মেটানোর কাজ করছে সরকার। কারোর অপপ্রচারে কান দেবেন না।SJM আছে।ভরসা রাখুন।’ এবারেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল।
SoP জারি নবান্নের
জানা গিয়েছে, সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে ন্যূনতম বেতন, ৩ শতাংশের বদলে অন্তত ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে বেতন কাঠামোর সামঞ্জস্য, ডিএ নির্ধারণ, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা পুনর্বিবেচনার বিষয় রাখা হয়েছে। অবসরকালীন সুবিধা, ৩০ জুন অবসর নেওয়া কর্মীদের ইনক্রিমেন্ট এবং ক্যারিয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট স্কিমে পরিবর্তনের বিষয়ও রয়েছে। সেইওস্নগে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে পাঁচ সদস্যের পরিবার এবং দৈনিক ৩৪৯০ ক্যালোরির পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ১০ আগস্ট কলকাতায় বন্ধ একাধিক রাস্তা, তালিকা দিল পুলিশ
বর্তমান ৮-১৫-২৪ বছরের বদলে ৫-৮-১২-১৮-২৪ বছরের ক্যারিয়ার অ্যাডভান্সমেন্ট কাঠামোর প্রস্তাবও রয়েছে। রাজ্য সরকারের লক্ষ্য ২০২৭ সালে সপ্তম পে কমিশন কার্যকর করা। তবে চূড়ান্ত বেতন ও ভাতা কতটা বাড়বে, তা সবটাই নির্ভর করবে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের উপর। মূল্যবৃদ্ধি ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন Pay Matrix তৈরির বিষয়টিও কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন কাঠামোর সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন স্তরের সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।