=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে থাকবে নয়া নথি! বড় মন্তব্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

Indian Citizenship Proof

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অভিযোগ উঠে আসছে যে, বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়েছে যে ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখালেও ‘পুশব্যাক’ করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের। আর তা নিয়ে বেশ সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এমতাবস্থায় নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার।

ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয় পত্র নিয়ে প্রশ্ন!

গত মঙ্গলবার, লোকসভায় নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়। তাঁর প্রশ্ন ছিল কেন্দ্রের দেওয়া পরিচয়পত্র কি আদেও ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ? যদি তা হয়, তাহলে বিস্তারিত ভাবে সংসদে জানানো হোক। এছাড়াও তাঁর আরও প্রশ্ন ছিল, ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয় হিসাবে আদালত কোন কোন পরিচয়পত্রকে মান্যতা দেয়? এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই প্রশ্নের জবাব দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্দী সঞ্জয় কুমার। তিনি বলেন যে, “১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে ২০০৪ সালের সংশোধনী কেন্দ্রীয় সরকারকে সমস্ত নাগরিকদের রেজিস্টার এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের ক্ষমতা দেয়। সঙ্গে তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়াও বাধ্যতামূলক। এবং পরিচয়পত্রগুলি মান্যতা পাবে,২০০৩ সালের নাগরিকত্ব বিধি অনুযায়ী।”

NRC-তে নাম ওঠা নাগরিকরাই যোগ্য!

The Hindu-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোকসভায় মন্ত্রী বন্দী সঞ্জয় কুমার তৃণমূল সাংসদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন যে, “নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র সেই সব নাগরিকদের দেওয়া যেতে পারে যাদের বিবরণ জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা NRC-তে লিপিবদ্ধ আছে।” এদিকে কেবলমাত্র অসমেই এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। যদিও সরকার এখনও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেনি কারণ ২০১৯ সালে প্রকাশিত NRC খসড়া আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। তাই এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্বান্ত নেওয়া হয়নি। তার উপর, বিহারের ভোটার তালিকা মামলার ভারতের নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে যুক্তি দিয়েছে যে আধার কার্ড ভারতীয় নাগরিকত্বের বৈধ প্রমাণ হিসাবে বিবেচিত হয় না। সেক্ষেত্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে ভোটার আইডি কার্ড, ভারতীয় পাসপোর্ট এবং জন্ম শংসাপত্র পেশ করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: অশ্লীল ভিডিও কাণ্ডে মহা শোরগোল! দিলীপ ঘোষের অভিযোগে পদক্ষেপ নেবে লালবাজার

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব প্রমাণের শংসাপত্রের জবাবে সন্তুষ্ট হননি তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। তিনি বলেছেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর জবাবে আমি মোটেই সন্তুষ্ট নই। কারণ, আমার প্রশ্নের স্পষ্ট কোনও উত্তর মন্ত্রী দিতে পারেননি। আমার মনে হয়, সংসদে নাগরিকত্ব নিয়ে কোনও স্পষ্ট জবাব দিলে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার বা SIR এর ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই নাগরিকত্বের প্রমাণ বা পরিচয়পত্র নিয়ে এখনও কোনও সদুত্তর নেই মোদী সরকারের কাছে।”

Leave a Comment