=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পাহাড় কাটা বন্ধ হবে পুরুলিয়ায়, আশ্বাস বিজেপি বিধায়কের

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: পাহাড় কাটা নিয়ে ফের উত্তপ্ত পুরুলিয়ার (Purulia) রঘুনাথপুরের বেড়ো এলাকা। ঐতিহ্যবাহী চণ্ডী পাহাড়ে (Chandi Hill) পাথর উত্তোলনের অভিযোগ ঘিরে আন্দোলনে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাহাড় রক্ষার দাবিতে ইতিমধ্যেই মিছিল, অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন এলাকার মানুষ। তাদের এই বিক্ষোভে এবার স্বস্তির বার্তা দিলেন মামণি বাউড়ি (Mamoni Bauri)। সোমবার চণ্ডী পাহাড় পরিদর্শনে এসে পাহাড় কাটার কাজ বন্ধের আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।

কী বলছেন স্থানীয় মানুষ?

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই পাহাড় কেটে গ্রানাইট ও পাথর তোলার কাজ চলছে। ‘চণ্ডী পাহাড় বাঁচাও কমিটি’-র দাবি, প্রায় এক বছর ধরে আবার এই কাজ শুরু হয়েছে। পাহাড় কাটা নিয়ে এই বিরোধ নতুন নয়। ২০১৬-১৭ সাল থেকেই বেড়ো ও খাজুরা এলাকায় গ্রানাইট হাব তৈরির পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে পাহাড় কাটার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের আন্দোলনের জেরে কাজ বন্ধ হয়েছিল।

এইবারের আন্দোলনে স্থানীয়রা প্রশ্ন তোলেন, এভাবে পাহাড় কাটার অনুমতি আছে তো? বেড়ো পঞ্চায়েত প্রধান টিকা বাউড়ির দাবি, পাহাড় কাটার জন্য পঞ্চায়েতের কাছ থেকে কোনও ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ বা এনওসি নেওয়া হয়নি। একই অভিযোগ উঠেছে পাহাড়ের পাদদেশে তৈরি হওয়া পাথর ক্রাশার নিয়েও। অন্যদিকে, পাথর উত্তোলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, সরকারি নির্দেশ পাওয়ার পরেই কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ৪ অক্টোবর চণ্ডী পাহাড়ের সামনে দিনভর অবস্থান-বিক্ষোভ করেন এলাকার বাসিন্দারা। বেড়ো-সহ পার্শ্ববর্তী একাধিক গ্রামের মানুষ এই মিছিলে যোগ দেন। স্কুল পড়ুয়াদের হাতেও দেখা যায় ‘পাহাড় বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও’, ‘পাহাড় কেটে বিক্রি বন্ধ করো’-র মতো প্ল্যাকার্ড। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, পাহাড়ের সঙ্গে এলাকার মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, পাহাড় কেটে বড় গর্ত তৈরি হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কার কথাও তুলেছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: আঙুলের ছাপের বদলে মুখের স্ক্যান, আধার পরিষেবায় ৫ নয়া সুবিধা আনল UIDAI

এর মধ্যেই সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নিজেই চণ্ডী পাহাড়ে যান বিধায়ক মামণি বাউড়ি। স্থানীয় শতাধিক মহিলা সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁর কাছে পাহাড় কাটার কাজ বন্ধের দাবি জানান। তাঁদের বক্তব্য শোনার পর বিধায়ক জানান, চণ্ডী পাহাড়ের ঐতিহ্য ও মানুষের আবেগের কথা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে। তিনি যখন বলেছেন তখন এই কাজ বন্ধ হবেই। তিনি আশ্বাস দিচ্ছেন, আর পাহাড় কাটা হবে না। বিধায়কের পরিদর্শনের পর বিকেল থেকে পাহাড় কাটার কাজ বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

Leave a Comment