প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত ১৬ ডিসেম্বর, প্রকাশিত হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া ভোটার তালিকা। আর সেই তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে আরও এক নয়া বিতর্ক। প্রায় ৪৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে। এ বার শুরু হয়েছে শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া। আর এই পরিস্থিতিতে তাই আজ অর্থাৎ সোমবার কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের বুথস্তরের এজেন্টদের নিয়ে সভা ডাকলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
আরও দেড় কোটি নাম বাদ পড়বে!
রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে BLA-দের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার ১১টি বিধানসভা এলাকার দলীয় BLA-সহ উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলির বাছাই করা কিছু এলাকার BLA-দের এই সভায় ডাকা হয়েছে। এদিনের সভায় বিজেপির সঙ্গে কমিশনের যোগ রয়েছে এই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, “আরও দেড় কোটি নাম নাকি বাদ দিতে হবে। বিজেপির খোকাবাবুদের আবদার। হাত ঘোরালে নাড়ু পাব। নাড়ু নিয়ে ভোটে জিতব, নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগাব। আর বাংলাকে দখল করব, বাংলাকে অপমান করব, বাংলার ইতিহাস ভুলিয়ে দেব। নানান রকম চালাকি। চালাকির দ্বারা মহৎ কাজ হয় না।”
ভাষা বিভ্রাটে হিয়ারিং সমস্যা
স্পেশাল অবজার্ভার নিয়ে এদিন প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “BLO-রা এখানকার লোকাল এত ভাষা কী করে জানবে? ফলে অনেক ভোটারকে ম্যাপিং করেনি। মানুষ ক্ষমা করবে না। এখন আবার বিজেপির দালালি করছে। ১৬ তারিখ থেকে হিয়ারিংয়ের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। ২০ তারিখ নির্দেশ এল আবার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা হিয়ারিং করবে। এরা লোকাল ভাষা বোঝে? এরা না বোঝে বাংলা, না বোঝে মতুয়া, না বোঝে কামতাপুরী, না বোঝে নেপালি। এরা নাকি হিয়ারিং করবে! আবার একজন করে স্পেশাল অবজারভার। BLO বাথরুমে গেলেও পিছন পিছন যাবে।”
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মমতা
বাংলায় থাকা বিহারবাসীদের উদ্দেশে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ বার্তা দিলেন। তিনি বলেন, “বিহারে ভোট না দিলে সম্পত্তির অধিকার দেবে না। ভুল। আপনারা যদি ওখানে ভোট না দেন, এখানে থাকেন, কাজ করেন, তাহলেও কেউ অধিকার কেড়ে নিতে পারবে না। বাংলায় থাকতে চাইলে ভোটার লিস্টে নাম তুলুন, বিহার থেকে নাম কাটুন।” কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধরেন এদিন তিনি। মমতা বলেন, “সব টাকা বন্ধ করে এখন বলছে বহুত রুপিয়া হে। তাহলে অল্প করে দেন কেন? তাও বলবেন বাইক থাকলে পাবে না, টিভি থাকলে পাবে না। কেন? কমিশন তো লিমিটলেস দালালি করছে।”
আরও পড়ুন: বাসন্তীতে তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া TMC পঞ্চায়েত সদস্যের! ধরে বিয়ে দিলেন স্বামী
প্রসঙ্গত, আসন্ন বিধানসভা ভোট নিয়ে রীতিমত উত্তাল পরিস্থিতি বঙ্গে। এমতাবস্থায় বছরের শেষে বড়সড় রাজনৈতিক কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রে খবর, সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাঁকুড়া জেলার বড়জোড়া কলেজ মাঠে একটি জনসভা করবেন তিনি। এদিকে দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে মমতা আজ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, এবার কোনও পিকনিক হবে না। সব হবে একেবারে ২০২৬ এ জেতার পর।
Understanding game variance is key to responsible play, and platforms like wagiplus7428 app seem to emphasize that with their transparency. It’s smart to look beyond just winning-knowing the RTP helps manage expectations & bankroll! 🤔
Voter list management requires transparent processes and proper language coordination to ensure fair representation. Just as digital platforms like nustargame game prioritize user accessibility and clear communication, electoral systems need local language support for effective hearing processes. Professional oversight builds trust.
It’s fascinating seeing how platforms like boom99 build on decades of casino tradition – from membership apps to streamlined online verification! Player protection is key, and that historical perspective really shows. Great stuff!