=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

“বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে গড়ে ওঠা সব সম্পর্কই ধর্ষণ নয়” পুলিশ আধিকারিককে বড় রায় হাইকোর্টের

অনন্যা সরকার, উত্তরপ্রদেশ: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক মহিলাকে ধর্ষণ করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad High Court)। সেই মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ ইন্সপেক্টর অমিত কুমারের বিরুদ্ধে সমস্ত ফৌজদারি মামলা এবার খারিজ করে দিল আদালত। খারিজের সময় বিচারপতি মদন পাল সিং জানান যে, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে গড়ে ওঠা প্রতিটি সম্পর্ককেই ধর্ষণ হিসেবে গণ্য করা যায় না। এর জন্য প্রমাণ করতে হবে যে, প্রতিশ্রুতিটি শুরু থেকেই মিথ্যা ছিল এবং শুধুমাত্র সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই মহিলার সম্মতি আদায় করা হয়।

আসল ঘটনাটি কী?

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি, মথুরার কোশিকালনের এক মহিলা বারাণসীর মহিলা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, ২০১৩ সালে কোশিকালানে কর্মরত ইন্সপেক্টর অমিত কুমার তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং তাঁর যে আগে বিয়ে হয়েছে সেই কথাও গোপন করেন। মহিলার দাবি, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে প্রলুব্ধ করে বারাণসীর একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়, মিল্কশেকে মাদক মিশিয়ে অচৈতন্য করে ধর্ষণ করা হয়। তার সাথেই অশ্লীল ছবি ও ভিডিও রেকর্ড করে সেগুলি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং গর্ভবতী হওয়ার পর গর্ভপাত করতেও বাধ্য করা হয়। তাকে হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তিনি। 

পুলিশ এই মামলায় একটি চার্জশিট দাখিল করে। অভিযুক্ত অমিত কুমার এই চার্জশিটটি বাতিল করার জন্য এবং বারাণসীর এসিজেএম III-এর আদালতে বিচারাধীন মামলাটি খারিজ করার জন্য এই পিটিশন দাখিল করেন। আদালত জানায় যে, মহিলাটি শিক্ষিত ও প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন এবং ২০১৩ সাল থেকে অভিযুক্তকে চিনতেন। তিনি কাউকে না জানিয়ে একাই বারাণসীতে যান এবং একটি হোটেলে অভিযুক্তের সাথে সময় কাটান। তা সত্ত্বেও, তিনি কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি এবং তিনি অমিত কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। এমনকি তিনি মিরাটে অভিযুক্তের পৈতৃক বাড়িতেও গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানেও কোনো অভিযোগ করেননি।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের শুরুতেই অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম, কেনার আগে চেক করুন রেট

কোর্টে  পেশ করা হয় অভিযোগকারিণী ও অভিযুক্তের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও, যেখানে একটি চ্যাটে মহিলাটি নিজেই লিখেছিলেন যে, তিনি অভিযুক্তের বিবাহবিচ্ছেদ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। অর্থাৎ, তিনি অভিযুক্তের প্রথম বিয়ের বিষয়ে অবগত ছিলেন। প্রকাশ্যে আসা ছবিগুলোতে মহিলাটিকে অভিযুক্তের সঙ্গে হাসিখুশি অবস্থাতেই দেখা যায় এবং তদন্তকালে ব্ল্যাকমেলের উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছে এমন কোনও অশ্লীল ছবি বা ভিডিও উপস্থাপন বা উদ্ধার করা যায়নি। অভিযুক্ত কখনও বিয়ের কথা অস্বীকার করেননি। ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর মিরাট পারিবারিক আদালত তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়।

আদালত অভিযুক্তের এই যুক্তিও স্বীকার করে নেয় যে, তার প্রথম স্ত্রীর প্ররোচনায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, অভিযুক্তের সাপ্লিমেন্টারি এফিডেভিট অনুযায়ী, ওই মহিলা পরে অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন, যে বিষয়ে শুনানির সময় আদালতের কাছে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে রাজ্য সরকার এবং অভিযোগকারীর আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, ভুক্তভোগীর বক্তব্য স্পষ্ট এবং সঙ্গতিপূর্ণ ছিল। অভিযুক্ত বিয়ের ছলে তার সঙ্গে একটি সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। অভিযোগকারী দাবি করেন যে, অভিযুক্তের ওপর ২৪টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং তিনি তার চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। 

আরও পড়ুন: উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অংশ নিতে পারল না বাংলার স্কুলগুলি

অভিযুক্তের আইনজীবী এর জবাবে বলেন যে, এই যুক্তিগুলো শুধুমাত্র চরিত্রের ওপর কেন্দ্র করে খাড়া করা হয়েছে, মামলার মেরিটের ওপর নয়। পরিশেষে আদালত জানিয়েছেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। যে মামলায় কোনো ফৌজদারি দায় প্রমাণিত হয়নি, সেখানে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া মানে আদালতের প্রক্রিয়া ও সময়ের অপব্যবহার। এর মাধ্যমে, আদালত অভিযুক্তের আবেদনটি মঞ্জুর করে এবং অভিযোগপত্র ও সম্পূর্ণ কার্যধারা বাতিল করে দেয়।

Leave a Comment