=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

বেলেঘাটায় এবার সাত বিএলও-কে শোকজ কমিশনের! নেপথ্যে কারণ কী?

Election Commission

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে চলেছে SIR বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কর্মসূচির ঝড়। সেক্ষেত্রে বিতর্কও যেন পিছু ছাড়ছে না। আর এই SIR আতঙ্কের মাঝেই বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। যা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছিলেন মমতা। আর এবার উঠে এল আরেক তথ্য। এনুমারেশন ফর্ম বিলির ক্ষেত্রে রাজ্যের অন্য জেলাগুলির তুলনায় সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে কলকাতা। ঠিক মত হচ্ছে না ডিজিটাইজ প্রসেস। আর তাই এবার উত্তর কলকাতার বেলেঘাটার সাত জন বুথ স্তরের আধিকারিক-কে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ কমিশনের

গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে SIR বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এনুমারেশন ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার প্রক্রিয়ার জন্য কমিশন এক মাস সময় রেখেছে। তার পরে আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৩ শতাংশ ভোটারদের কাছে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ২৫.৫ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজেশনও হয়ে গিয়েছে। এইমুহুর্তে ফর্ম বিলি এবং জমা নেওয়ার এটি তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। তাই সেক্ষেত্রে হাতে আর বেশি সময় বাকি নেই। তাই দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আর এই আবহে এবার সাত BLO-কে শোকজ করল কমিশন।

শোকজ করা হল সাত বিএলও-কে

রিপোর্ট মোতাবেক কমিশন আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে ভোটারদের পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহের পরে সেগুলি একটি নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাইজড করতে হবে BLO-দের। কিন্তু সেই নিয়মে গণ্ডগোল করে বসল বেলেঘাটার ৭ জন বুথ লেভেল অফিসার। অভিযোগ বেলেঘাটার ওই সাত বিএলও নাকি মাত্র ৪-৮ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজ করেছেন। এদিকে অন্যত্র সংগ্রহ করা এনুমারেশন ফর্মের প্রায় ৩০% ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে। কেন এত কম ফর্ম ডিজিটাইজ হয়েছে, সেই ব্যাখ্যা জানানোর নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। আজ অর্থাৎ শুক্রবার দুপুর ১২টার মধ্যে ওই সাত বিএলও-কে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

আরও পড়ুন: “টেলিভিশনের মাধ্যমেই বাড়ানো হোক সামাজিক চেতনা” বিশেষ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

কিছুদিন আগেই রাজ্যে SIR-এর কাজ পর্যালোচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় বৈঠকে কলকাতায় এসআইআরের কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রতিনিধিদল। তারা জানিয়েছে, বুথ লেভেল অফিসারদের আগামী ২৬ নভেম্বরের মধ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলি শেষ করতেই হবে। সংগ্রহের কাজও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএলও-দের কাজে সাহায্য করতে হবে ইআরও, এইআরও, বিএলও সুপারভাইজারদের। যদিও কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও কলকাতার অনেক এলাকায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন BLO-রা। কারণ সেখানে অনেকের নাম, ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

Leave a Comment