=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ভারতীয় বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ করতে চলেছে জাপান

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বাংলাদেশ থেকে স্থলপথে বস্ত্র আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। আর এর পর থেকেই ধুঁকতে থাকা ওপারের বস্ত্র শিল্প একপ্রকার মুখ থুবড়ে পড়েছে বলা যায়। আর এরই মাঝে দেশীয় পোশাক শিল্প জোরদার করতে উঠে পড়ে লেগেছে দিল্লি।

সেই মর্মে, জাপান সফরের দ্বিতীয় দিনে ও দেশের অফিসিয়ালদের সাথে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পরই গত 15 জুলাই, টোকিওর মাটিতে 16তম ইন্ডিয়া ট্রেন্ড ফেয়ার উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং।

বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে ভারতীয় বস্ত্র রপ্তানিকারকদের সাথে জাপানের ক্রেতাদের বোঝাপড়া অনেকটাই বাড়বে। শুধু কি তাই? রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক জাপানের সংস্থা। বুধবার সেই খবর নিশ্চিত করেছে পোশাক রপ্তানি উন্নয়ন কাউন্সিল বা AEPC।

ভারতীয় বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ করতে চলেছে জাপানের সংস্থা

রিপোর্ট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজের 16তম ইন্ডিয়া ট্রেন্ড ফেয়ার উদ্বোধনের পরই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মেলার হাত ধরে আগামী দিনে জাপান এবং ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বস্ত্র বাণিজ্য আরও জোরদার হবে।

হ্যাঁ এ প্রসঙ্গে, ভারতের পোশাক রপ্তানি উন্নয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সুধীর শেখরি জানিয়েছেন, ব্যবসায়িক সুযোগ অন্বেষণ করার জন্যই দুই দেশের পোশাক খাতের কোম্পানিগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হ্যাঁ, টোকিওর মাটিতে উদ্বোধন হওয়া ইন্ডিয়া ট্রেন্ড ফেয়ারে অংশগ্রহণ করেছিল বেশ কয়েকটি দেশীয় সংস্থা। সেই সাথে জাপানি সংস্থা তো রয়েছেই। এরপরই উন্নয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সুধীর বাবু বলেন, আমরা জাপানের সংস্থাগুলিকে দুদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারতে বিনিয়োগ করার আবেদন জানিয়েছি।

ইউনিক্লো, অ্যাডাস্ট্রিয়া, টোরে, ইটোনিক কোম্পানি, ব্রোক জাপান, ও পেগাসাসের মতো প্রধান ব্র্যান্ডগুলির সাথে বৈঠক সেরেছি আমরা। ভারতীয় বস্ত্র শিল্প জাপানি কোম্পানিগুলির ইচ্ছা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সবশেষে, শেখরি জানান, জাপানি সংস্থাগুলির সাথে ভারতের অংশীদারিত্ব আগামী দিনে বস্ত্র বাণিজ্য শিল্পকে উচ্চতার শিখরে নিয়ে যাবে!

জাপানে পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে ভারতের

বিগত দিনগুলিতে নানান দুর্গম পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, দেশীয় বস্ত্র উৎপাদন ক্রমশ বাড়িয়েছে কেন্দ্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাপানের সাথে সুসম্পর্ক বয়ে নিয়ে যাওয়া মানে আগামী দিনেও ও দেশে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ থাকবে ভারতের হাতে। এ প্রসঙ্গে, দেশের পোশাক রপ্তানি কাউন্সিল জানিয়ে, জাপানে পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার সুবর্ণ সুযোগ এখন ভারতের হাতেই।

অবশ্যই পড়ুন: কল্যাণীতে অনিশ্চিত ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের হাই ভোল্টেজ ডার্বি

উল্লেখ্য, গত বছর অর্থাৎ 2024 সালে জাপানে ভারতের পোশাক রপ্তানি ছিল 234.5 মিলিয়ন ডলার। যদিও পুরনো কাসুন্দি ঘেঁটে জানা গেল, শুধুমাত্র গত বছরেই টোকিও 23 বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছিল, যেখানে ভারতীয় পণ্য ছিল মাত্র এক শতাংশ। তবে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, ভারতীয় বস্ত্র খাতে জাপানি সংস্থার বিনিয়োগ মানেই, আগামী দিনে দুদেশের মধ্যে বস্ত্র বাণিজ্য বড় জায়গায় পৌঁছবে।

Leave a Comment