বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) কুর্সি থেকে সরাতে দেশের রাজপথে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধীরা। বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন দেশের ছাত্র যুবররাও। যদিও সেই বিক্ষোভ ঠেকাতে ইতিমধ্যেই বহু বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। এবার তারই প্রতিবাদে আওয়াজ উঠল পদ্মা পাড়ে। ককরোচ জনতা পার্টি সহ অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিতে গতকাল অর্থাৎ রবিবার বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকার শাহবাগে মশাল মিছিল করে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। অভিযোগ, ওই মিছিল থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নানান কু-মন্তব্য করা হয়েছে।
ভারতীয় বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে বাংলাদেশ মশাল মিছিল
গোটা ভারতজুড়ে চলা বিক্ষোভ এবং সেই বিক্ষোভের কারণে গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের মুক্তির দাবিতে গতকাল ঢাকার রাজপথে বিশেষ সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছিলেন বাংলাদেশের দুই সংগঠনের সদস্যরা। দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছটায় প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করেন বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদিনের সমাবেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার।
অন্যদিকে ঢাকায় ওই সমাবেশের সঞ্চালনা করেছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক। এদিন ভারতের বুকে চলমান বিক্ষোভ বা আন্দোলনকে সমর্থন করে রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত। সেই দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনা গোটা বিশ্বের কাছে অন্ধকারে থাকা এক অধ্যায়কে তুলে ধরেছে।
আরও পড়ুন: ২০১০টি ছয়, ভারতের কাছে হেরেও T20 তে বিশ্বরেকর্ড গড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
এদিন ঢাকার ওই সমাবেশ থেকেই ভারত সরকারের কাছে যত দ্রুত সম্ভব আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার পাশাপাশি আটক করা সমস্ত বিক্ষোভকারীকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শুধু তাই নয়, এদেশের ছাত্র সমাজকে নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে আন্দোলন অব্যাহত রাখারও অনুরোধ করেন শাহরিয়ার। তবে এও অভিযোগ উঠেছে, ঢাকার বুকে মশাল মিছিল চলাকালীন ওপার বাংলার কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে নানান কুমন্তব্য, এমনকি গালিগালাজও করেছেন। যেই ঘটনাকে একেবারেই ভালভাবে দেখছেন না, ওয়াকিবহাল মহল।