=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মায়ের মদতে সৎ বাবার লালসার শিকার ১২ বছরের নাবালিকা! কঠিন সাজা দিল চুঁচুড়া কোর্ট

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সৎ বাবার যৌন লালসার শিকার হলেন ১২ বছরের নাবালিকা (Minor Abuse Case)! চরম লজ্জাজনক ঘটনার সাক্ষী থাকল হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়ায়। জানা গিয়েছে, মায়ের মদতে চলত পাশবিক নির্যাতন। শেষে DNA পরীক্ষায় ফাঁস হল সৎ বাবার কীর্তি। চুঁচুড়া আদালতের নির্দেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল দু’জনের।

ঠিক কী ঘটেছিল?

প্রাপ্ত রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে ১২ বছরের মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন সাজাপ্রাপ্ত মহিলা। এরপর হুগলির রবীন্দ্রনগর এলাকায় এক প্রৌঢ়ের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন তিনি। আর তখন থেকেই সৎ মেয়েকে ভয় দেখিয়ে শারীরিক নির্যাতন করতেন সৎ বাবা। এমনকি এই ভয়ংকর কাজে মদত দিতেন নাকি নির্যাতিতার মা। জানা গিয়েছে পাশবিক অত্যাচারের কথা প্রথমে নাবালিকা তাঁর মাকে জানালে, মা তাকে মারধর করে চুপ থাকতে বলেছিলেন। এরপর যৌন নির্যাতন আরও বেড়ে যায়।

পাশবিক নির্যাতন সৎ বাবার

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই নির্যাতিতাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করায় কয়েকবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা। এরপর নাকি গর্ভপাত করায় নিজের মা। কিন্তু তারপরেও থামেনি নির্যাতন। আবারও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে নাবালিকা। এরপর ২০২০ সালের ২৪ এপ্রিল রাতে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে, ঘরের বাইরে বেরিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে নাবালিকা। ওই বাড়ির ভাড়াটেরা তার থেকে সব জানতে পারেন। মায়ের মদতে সৎ বাবা কী ভাবে পাশবিক নির্যাতন করত, সেই কথা চুঁচুড়া মহিলা থানায় গিয়ে জানায় মেয়েটি। নির্যাতিতা অভিযোগ দায়ের করার সময়ে অন্তঃসত্ত্বা থাকায়, হাসপাতালে তার গর্ভপাত করানো হয়। কিন্তু ভ্রুণ সংরক্ষণ করে পুলিশ।

৬ বছর পর মিলল বিচার

নির্যাতিতার অভিযোগ মানতে নারাজ সৎ বাবা। এরপর আদালতের নির্দেশে কলকাতার ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে ভ্রূণের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ হয় অভিযুক্ত সৎ বাবার কীর্তি। এরপরই সেই সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ তদন্তকারী অফিসার তনুকা শিকদার ১৫ জুন ২০২০-তে অভিযুক্ত দু’জনের বিরুদ্ধেই চার্জশিট দাখিল করেন আদালতে। মোট ২১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন এই মামলায়। এই মামলায় সরকারি আইনজীবী ছিলেন সাবিনা বেগম। শেষে ৬ বছর পর গত ১২ জুন চুঁচুড়ার পকসো আদালতের বিচারপতি চন্দ্রপ্রভা চক্রবর্তী দুই অভিযুক্তকেই দোষী সাব্যস্ত করেন এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করেছেন।

আরও পড়ুন: র‍্যাপিডো চালককে অপমান, গালিগালাজ করার শাস্তি! কোম্পানি থেকে বরখাস্ত ভাইরাল তরুণী

সরকারপক্ষের আইনজীবী শবনম বেগম বলেন, অত্যন্ত ঘৃণ্য একটি ঘটনা। নিজের নাবালিকা মেয়ে ধর্ষিতা হলেও দ্বিতীয় স্বামীর কুকীর্তিকে সমর্থন করে গিয়েছেন মা। এক বা দু’দিন নয়, দিনের পর দিন ইি ঘটনা ঘটেছে। আমরা দৃষ্টান্তমূলক সাজা চেয়েছিলাম। তা মিলেছে। প্রসঙ্গত, নিজের পরিবারের কাছে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েও নির্যাতিতা জীবন যুদ্ধে হার মানেনি। এইমুহুর্তে আদালতের নির্দেশে একটি হোমে থেকে পড়াশুনা করছে সে।

Leave a Comment