=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মায়ের মরদেহ রেখে মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা দিলেন মেয়ে, ফিরেই মুখাগ্নি.. নন্দিনীর কাহিনী চোখ ভেজাবে

Student completed her Madhyamik Exam leaving mother’s dead body

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চিরদিনের মতো বিদায় জানিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন গর্ভধারিনী মা। স্বজন হারানোর যন্ত্রণা কতটা গভীর সেদিন বুঝেছিল মেয়ে। সেই ক্ষত বুকে বেঁধেই সোমবার স্কুল জীবনের সবচেয়ে বড় এক্সাম (Madhyamik Exam) মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষায় বসেছিলেন দুর্গাপুর ভুপালচন্দ্র বিদ্যাপীঠের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নন্দিনী বর্মন। বুকে চাপা কষ্ট আটকে রেখে 3 ঘন্টার পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি ফিরতেই মায়ের নিথর দেহ নিয়ে পাড়াপড়শি ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে শ্মশানের পথে রওনা দেন তিনি। বাংলার বুকে এমন ঘটনা হৃদয়ে দাগ কেটে দিয়েছে অনেকের।

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নন্দিনীর কাহিনী চোখে জল আনবে!

দুর্গাপুরের বাসিন্দা নন্দিনীর মা রেখা বর্মন দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শেষ পর্যন্ত স্বাস্থ্যের অবনতি হলে ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। এদিকে মেয়ের মাধ্যমিক পরীক্ষা। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মাকে দেখাশোনার পাশাপাশি গত চারদিন ধরে নির্দিষ্ট সময়ে রায়গঞ্জের মাড়াইকুড়া ইন্দ্রমোহন উচ্চ বিদ্যাপীঠের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন নন্দিনী। গতকাল অর্থাৎ সোমবার ছিল অঙ্ক পরীক্ষা। আর তার কয়েক ঘণ্টা আগেই জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায় একেবারে ওলট-পালট হয়ে যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর।

পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগেই সোমবার ভোর চারটে নাগাদ রায়গঞ্জের একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন 39 বছর বয়সী রেখা। মায়ের মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না পরীক্ষার্থী নন্দিনী। এদিকে জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষায় যে বসতেই হবে। নন্দিনীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, এদিন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নন্দিনী। এমন সময় শুনতে পান মা আর নেই। তাতে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন ওই পড়ুয়া। তড়িঘড়ি মাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান তিনি। এরপর প্রয়াত মায়ের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে কাঁদতে কাঁদতে জেঠু পার্থ বর্মনের সাথে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছন ওই পরীক্ষার্থী।

জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে 3 ঘন্টা অঙ্ক কষে তার ফলাফল খাতায় লিখে ছিলেন নন্দিনী। যেখানে জীবনের অঙ্ক একেবারে উল্টে পাল্টে গিয়েছে, সেই পর্বে দাঁড়িয়ে মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা দিতে ভোলেননি পরীক্ষার্থী, যেই ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্র স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ মন্ডল পরীক্ষার্থী নন্দিনী বর্মনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বিশ্বজিৎ বাবুর বক্তব্য, “পরীক্ষা চলাকালীন বারবার কাঁদছিলেন ওই পরীক্ষার্থী। তবে গোটা সময়টাই পরীক্ষা দিয়েছেন তিনি।”

অবশ্যই পড়ুন: মিলবে ১৫০০ করে , এপ্রিল থেকেই চালু যুব সাথী প্রকল্প.. ঘোষণা মমতার

পরিবার সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করে ব্যাগ গুছিয়ে তড়িঘড়ি বাড়ি পৌঁছন নন্দিনী। এরপর আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়া পড়শিদের সাথে স্থানীয় এক শ্মশানে মায়ের মরদেহ নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন দায়িত্ববান কন্যা। এদিকে মা হারা সন্তানের কঠিন সময় তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন জেঠু, জেঠিমা থেকে শুরু করে দূরের আত্মীয়রাও।

Leave a Comment