=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মুম্বইয়ের জয়ের কারিগর, ৩০ টাকাই জীবন বদলে দিয়েছে অশ্বিনী কুমারের

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: IPL এ জয়ের সরণিতে ফিরল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (Mumbai Indians)। সোমবার গুজরাত টাইটান্সকে 99 রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে মুকেশ আম্বানির দল। তবে মুম্বইয়ের এই জয়ে 101 রান করে তিলক বর্মা বড় অবদান রাখলেও শেষ পর্যন্ত MI-এর জয়টা কিন্তু নিশ্চিত করেছিলেন ভারতের তরুণ বোলার অশ্বিনী কুমার (Ashwani Kumar)। একার হাতে চার উইকেট নিয়ে গুজরাতকে কার্যত পথে বসিয়েছিলেন তিনি। এক কথায় বলা যেতে পারে, গতকাল মুম্বইয়ের জয়ের অন্যতম বড় কারিগর তিনি। সেই প্লেয়ারের অতীত জানলে কষ্ট হবে যে কারও!

বিস্ফোরক বোলিং অশ্বিনীর

গতকাল প্রথমে ব্যাট করতে নেমে 5 উইকেট হারিয়ে গুজরাতকে 200 রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। পরবর্তীতে সেই রান তাড়া করতে নেমে একেবারে নাকের জলে চোখের জলে হয়েছে গুজরাত। এদিন সাই সুদর্শন থেকে শুরু করে শুভমন গিল, জস বাটলার কেউই মুম্বইয়ের ভয়ঙ্কর বোলিং এর সামনে 30 রানের গন্ডি টপকাতে পারেননি। আর সেই বোলিং বিভাগকে কার্যত একার হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন অশ্বিনী কুমার।

এদিন দাপটের সাথে বোলিং করে প্রতিপক্ষের পরপর চারটি উইকেট তুলেছিলেন এই ভারতীয় পেসার। না বললেই নয়, গতকাল অশ্বিনী কুমারের হাতে বধ হতে হয়েছিল শুভমন, রাহুল তেওয়াটিয়া, শাহরুখ খান এবং রশিদ খানকে। এদিন ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নেমে দলের হয়ে নিজেকে একেবারে মেলে ধরেছিলেন অশ্বিনী। এই খেলোয়াড়ই একটা সময় 30 টাকায় শেয়ার অটোরিকশায় করে অনুশীলন করতে যেতেন।

30 টাকাই বদলে দিল অশ্বিনী কুমারের ভাগ্য?

মুম্বইয়ের জয়ের কারিগর অশ্বিনী কুমার পাঞ্জাবের বাসিন্দা। এই ভারতীয় ক্রিকেটার মোহালির পিসিএ স্টেডিয়ামে বল হাতে একটা দীর্ঘ সময় অনুশীলন করেছেন। বলা যেতে পারে এখানেই একজন ফার্স্ট বোলার হিসেবে নিজেকে একটু একটু করে তৈরি করেছিলেন অশ্বিনী। একটা সময় ছিল, যখন বাড়ি থেকে 11 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে সাইকেল চালিয়ে যেতেন তিনি। এছাড়াও পরবর্তীতে 30 টাকা খরচ করে প্রায় প্রতিদিন শেয়ার অটোরিক্সায় প্র্যাকটিস করতে স্টেডিয়ামে যেতেন এই ভারতীয় বোলার। তাই কেউ কেউ বলছেন, মাঠে প্র্যাকটিস করতে যাওয়া আসার জন্য দিনে অশ্বিনী যে 30 টাকা খরচ করতেন সেটাই যেন তাঁর ভাগ্য ঘুরিয়ে দিল।

অবশ্যই পড়ুন: এপ্রিলে নয়, কবে থেকে UPI-র মাধ্যমে তোলা যাবে পিএফের টাকা? সময় পিছল EPFO

অনেকেই হয়তো জানেন না, ক্রিকেটের জন্য নিজের লেখাপড়াটাও ছেড়ে দিয়েছিলেন পাঞ্জাবের এই ক্রিকেটার। দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন মুম্বই দলের দাপুটে বোলার। বলাই বাহুল্য, আজ পর্যন্ত পাঞ্জাবের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের দুটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ এবং চারটি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন অশ্বিনী। এছাড়া টি-টোয়েন্টিতে 20 ম্যাচে অংশ নিয়ে 21টি উইকেট তুলেছেন তিনি। ক্রিকেট মহলের অনেকেরই আশা, ইন্ডিয়ার প্রিমিয়ার লিগের আগামী দিনগুলিতে বল হাতে লড়ে নেবেন অশ্বিনী কুমার।

Leave a Comment