বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফ্রান্সে অস্থিরতা (France Protest)। পুলিশের সাথে সংঘর্ষ, লুটপাট থেকে শুরু করে একের পর এক শহরে বিক্ষোভ চলছে। ঠিক সেই আবহে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে নিশানা করে বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আমেরিকার শাসক একেবারে খোলাখুলি জানালেন, ‘প্যারিস খুব শীঘ্রই মুসলিম শহরে পরিণত হবে। এমনটা হওয়ার ছিল না।’ প্যারিসের জনবিন্যাস নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে ট্রাম্পের এই মন্তব্য জন্ম দিয়েছে বিতর্কের।
ট্রাম্পের এক মন্তব্যে বাড়ল বিতর্ক!
সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফ্রান্সের প্রসঙ্গ তোলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেন, বিশ্বের নানান প্রান্ত থেকে আশা অভিবাসীদের ফ্রান্সে প্রবেশ করতে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। তিনি এ নিয়ে বারবার সতর্ক করলেও তা উপেক্ষা করা এবার সেই ভুলের খেসারত দিতে হচ্ছে ফ্রান্সকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্তব্য, তাঁর উপদেশ উপেক্ষা করায় আজ ফ্রান্সের পরিস্থিতি এত জটিল হয়েছে।
এদিন নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দেখাতে না পারলেও প্যারিসের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা অস্থিরতা এবং বিক্ষোভ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প একেবারে খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন, ‘প্যারিস খুব শীঘ্রই মুসলিম শহরে পরিণত হবে। কিন্তু এমনটা একেবারেই হওয়ার ছিল না।’ এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় হিংসাত্মক আন্দোল এবং অশান্তির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখানো যেতেই পারে।
আরও পড়ুন: নবমীতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড বাঘাযতীন বাজারে, ঘটনাস্থলে দমকলের ১৫ ইঞ্জিন
প্রসঙ্গত, ফ্রান্সের একের পর এক শহরে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, লুটপাট থেকে শুরু করে অশান্তির ঘটনায় কঠিন বিধি হিসেবে জারি করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক এলাকায় জারি হয়েছে কার্ফু। এখানেই শেষ নয়, কিছু কিছু শহরে জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। কিছু কিছু শহরে পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মীও মোতায়েন করা হয়েছে। এক কথায়, বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে হিংসা ছড়ানো রুখতে বদ্ধপরিকর ফ্রান্সের প্রশাসন।