সোনম ওয়াংচুকের পর এবার অনশনের ঘোষণা CJP নেতা অভিজিৎ দীপকের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির যন্তরমন্তরে দীর্ঘ ২০ দিন অনশনে ছিলেন লাদাখের পরিবেশবিদ তথা শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। শরীর একেবারে ভেঙে পড়েছিল তাঁর। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই ছিল তাঁর এই অনশন। এমনকি ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনেই তিনি এই কর্মসূচির ঘোষণা করেছিলেন। তবে আজ দিল্লি পুলিশ জোরপূর্বক তাঁর অনশন ভাঙিয়ে হাসপাতাল নিয়ে যায়, এবং ওই স্থান খালি করার নির্দেশ দেয়। সেই সূত্রেই এবার সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Dipke) নিজেই অনশনের ঘোষণা করলেন।

এবার অনশনে বসবেন অভিজিৎ দীপকে

এদিন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে অভিযোগ করেন যে, আজ যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন তাঁকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি দিল্লি পুলিশ তাঁকে মারধর ও আটক করে। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশ বিক্ষোভকারীদের দ্রুত স্থান খালি করার নির্দেশ দেয়। এমনকি সোনম ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ওই এলাকায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, আগামী ২০ জুলাই তাদের যে মিছিলের পরিকল্পনা রয়েছে তার ঠিক দু’দিন আগেই পুলিশ তা ভেস্তে দিল। সেই কারণেই এবার নিজে অনশনের ঘোষণা করলেন অভিজিৎ দীপকে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি নিজেই লিখেছেন, “আমি এখন থেকে অনশনে বসছি।”

প্রসঙ্গত, সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। যখন তখন তাঁর মৃত্যু হতে পারত। সেই কারণে বিশিষ্ট এক আইনজীবী আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর দাবি ছিল, কেন্দ্র সরকারকে অবিলম্বে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হবে, এবং সোনম ওয়াংচুককে প্রয়োজনীয় খাবার ও চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে হবে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। কিন্তু শেষমেশ আজ সকালে দিল্লি পুলিশের তৎপরতায় সোনম ওয়াংচুকের অনসন ভাঙা হয়, এবং তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম পাক সীমান্তে ভারী গোলাবর্ষণ ভারতীয় সেনার

যদিও আজ হাসপাতালে পৌঁছতেই সেখানে তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি জে আংমো উপস্থিত হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তিনি জানান যে, সোনমের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় চিকিৎসকদের সম্মতি ছাড়া কোনও ওষুধ যেন না দেওয়া হয়। এমনকি তাঁর অনুমতি ছাড়া সোনমের যেন চিকিৎসা না করা হয় এও দাবি করেন তিনি। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে কেন্দ্রের সারা মেলেনি।

Leave a Comment