=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

সোনা পাপ্পুর ডেরা থেকে কত সম্পত্তি, গোল্ড উদ্ধার করল ইডি? হিসেব চমকে দেবে

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), কিন্তু তার আগেই রাজ্য জুড়ে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে নানা বিক্ষোভ এবং হিংসামূলক ঘটনা। যার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল মালদহের মোথাবাড়ি। এদিকে এই বিক্ষোভ পরিস্থিতির মাঝেও দুর্নীতিমূলক ঘটনা নিয়ে তদন্ত করে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে কলকাতায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)-এর অভিযানে ফের উদ্ধার হল নগদ টাকা এবং সোনা। তাও আবার সোনা পাপ্পুর বাড়িতে, চক্ষু চড়কগাছ সকলের।

দু’দিনের অভিযানে উদ্ধার সোনা এবং নগদ

উল্লেখ্য, গত বুধবার সকাল থেকেই ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালান ইডির আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, কসবা, বালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন সোনা পাপ্পু। সেই সূত্র ধরেই ইডি আধিকারিকেরা জানতে পারেন, তিনি নাকি বিভিন্ন নির্মাণসংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তুলতেন এবং তাঁর মাধ্যমেই সেই টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে যেত। আর, এই সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতেই সোনা পাপ্পুর বাড়ি-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। আর তাতেই উদ্ধার হল দু কোটির সোনা ও নগদ।

পাঁচটি জমির দলিল উদ্ধার করেছে ইডি

রিপোর্ট মোতাবেক ED–র অভিযানে বুধবারই বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে এবং বালিগঞ্জে একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার অফিস থেকে থেকে ৮০ লক্ষ টাকার গোল্ড ও নগদ উদ্ধার হয়েছে। এর মধ্যে বাড়ি থেকে ৩০ লক্ষ নগদ, দোকান থেকে ৩০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং রিয়েল এস্টেট অফিস থেকে ২০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। এ ছাড়াও সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে পাঁচটি জমির দলিল উদ্ধার করেছে ইডি। এখানেই শেষ নয়, উদ্ধার হয়েছিল আগ্নেয়াস্ত্র এবং একটি দামি গাড়ি, যা বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি। এবং দুটোকেই সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রিয়েল এস্টেট সংস্থার সঙ্গে অবৈধ লেনদেন

তদন্ত অভিযানের মাঝে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতানো এবং অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠে এসেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে ওই রিয়েল এস্টেট সংস্থা কী গোপন করতে সোনা পাপ্পুকে ‘প্রোটেকশন মানি’ দিত? সিন্ডিকেটের ব্যবসার টাকা কোথায়–কী ভাবে ব্যবহার হতো, সোনা পাপ্পু কেন এই পরিমাণ টাকা প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন? তদন্তের ভিত্তিতে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করে চলেছে তদন্তকারীরা। এদিকে শোনা যাচ্ছে সোনা পাপ্পু দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল সভাপতি তথা রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবাশিস কুমারের ঘনিষ্ঠ। ঘটনাচক্রে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ডেকেছিল ইডি।

আরও পড়ুন: ‘মোফাক্কেরুলই উস্কানিদাতা’, কালিয়াচক কাণ্ডে মুখ খুললেন এডিজি উত্তরবঙ্গ

কয়েক মাস আগে রবীন্দ্র সরোবরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাতে ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর নাম জড়িয়েছিল। তারাই এলাকায় অশান্তি করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। কিন্তু এখনও পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অন্যদিকে সোনা পাপ্পুও দাবি করেছিলেন, ওই গোষ্ঠী সংঘর্ষে তিনি কোনও ভাবেই যুক্ত নন। তার মাঝেই সোনা পাপ্পুর বাড়িতে কোটি কোটি সম্পদ উদ্ধারে দুর্নীতির রহস্য যেন আরও জটিল হচ্ছে।

Leave a Comment