=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

১৪ বছর পর সসম্মানে প্রত্যাবর্তন, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হয়ে ফিরছেন নবজাতক বিশেষজ্ঞ ডঃ অরুণ

অনন্যা সরকার, কলকাতা: ক্ষমতার লড়াই আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যাঁতাকলে পড়ে দেশের অন্যতম সেরা নবজাতক বিশেষজ্ঞ (Neonatologist) এবং এসএসকেএম হাসপাতালের নিওন্যাটোলজি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান ডঃ অরুণ কুমারেন্দু সিং (Dr. Arun Kumarendu Singh) রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হন। তবে দীর্ঘ ১৪ বছর পর, তিনি এখন বিজয়ী বেশে ফিরে এসেছেন। বুধবার রাজ্য সরকার একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করেছে যে, ডঃ অরুণ কুমারেন্দু সিংকে স্বাস্থ্য দপ্তরের উপদেষ্টা হিসেবে দুই বছরের জন্য নিয়োগ করা হচ্ছে।

ডঃ অরুণ কুমারেন্দু সিং ফিরছেন বাংলায়

প্রশাসনিক ও স্বাস্থ্য মহলে অরুণের ফিরে আসা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বর্তমান সরকারের নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই  অতীতে মেধা ও প্রতিভাকে কোণঠাসা করার ঘটনার এক ঐতিহাসিক প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে দেখছেন। তবে, ডঃ অরুণ কুমারেন্দু সিংয়ের সাথে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ অরূপ কুমার মাজিকেও উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। ডঃ অরুণ ও অরূপের একত্রিত প্রচেষ্টায় রাজ্যে মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিষেবার মান উন্নত করাই এই নিয়োগের মূল লক্ষ্য।

১৯৯৯ সালে দিল্লির এইমস (AIIMS) থেকে শিশু চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করার পর অরুণ এসএসকেএম হাসপাতালে যোগ দেন। সেই সময়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটে কোনো স্বতন্ত্র নিওন্যাটোলজি বিভাগ ছিল না, তাঁর উদ্যোগেই সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রথম একটি গোটা ডিপার্টমেন্ট গড়ে ওঠে। গ্রামীণ বাংলায় নবজাতক মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রেও তাঁর অভূতপূর্ব অবদান রয়েছে। 

আরও পড়ুন: কাপড়ের দোকান থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ! প্রথম ভারতীয় হিসেবে এমি অ্যাওয়ার্ডসে বিজয় সেতুপতি

২০০৩ সালে তিনি পুরুলিয়ার দেবেন মাহাতো হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ নবজাতকদের জন্য একটি বিশেষ ইউনিট তৈরি করান। এই উদ্যোগটি ‘পুরুলিয়া মডেল’ নামে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পায় এবং পরবর্তীকালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই মডেলের অনুকরণে অনুরূপ ইউনিট গড়ে ওঠে। কিন্তু ২০১২ সালের অক্টোবরে তাঁকে হঠাৎ করেই এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে কামারহাটির সাগর দত্ত হাসপাতালে বদলি করে দেওয়া হয়, যেখানে কোনো নিওন্যাটোলজি বিভাগই ছিল না। 

অভিযোগ শোনা যায়, শিশু মৃত্যু রোধের দায়িত্বে থাকা একটি কমিটির সদস্যের সঙ্গে মতপার্থক্যের জেরে তাঁকে এই ‘শাস্তিমূলক বদলি’-র সম্মুখীন হতে হয়। অপমানিত বোধ করায় তিনি সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। পরবর্তীতে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাঁকে ‘রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কার্যক্রম’ (RBSK)-এর উপদেষ্টা এবং এইমস (AIIMS), যোধপুরের নিওন্যাটোলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ করে।

এরপর ২০২৫ সালের শেষের দিকে, রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি চিকিৎসকদের ‘ইনট্যাক্ট কর্ড’ (Intact Cord) প্রোটোকলের ওপর প্রশিক্ষণও প্রদান করেন। অবশেষে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক পালাবদলের পর, তাঁকে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত হয়।

Leave a Comment