সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথম দিন থেকেই বলে আসছেন। এমনকি রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। সেখানেই আপাতত রাখা হচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এবার দার্জিলিং (Darjeeling) বেড়াতে গিয়েই গ্রেফতার হল ফের এক বাংলাদেশী যুবক। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই অভিযুক্ত দার্জিলিং বেড়ানোর উদ্দেশ্যে দালালকে মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়েই অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁকে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
দার্জিলিং থেকে গ্রেফতার অবৈধ অনুপ্রবেশকারী
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ওই ব্যক্তি দার্জিলিং এর ম্যাল এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দার্জিলিং থানার পুলিশ। কিন্তু তাঁর কথায় অসঙ্গতি মেলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে তিনি স্বীকার করেন যে দালালের মাধ্যমে বেআইনিভাবেই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। ধৃত ওই ব্যক্তির নাম সত্যজিৎ রায়। তিনি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও এলাকার বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করে ফাঁসিদেওয়ার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এরপর তাঁকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
তদন্ত করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১৫ দিন মতো আগে রাতের অন্ধকারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিন্দোল সীমান্ত টপকে ওই অভিযুক্ত ভারতে ঢোকেন। এরপর দালালকে ২০ হাজার টাকা দেন তিনি। এমনকি বেশ কয়েকদিন ওই এলাকায় মজুরির কাজ করেন। উত্তর কিংবা দক্ষিণ দিনাজপুরের কোনও এলাকায় পাকাপাকিভাবে থাকার উদ্দেশ্য ছিল তাঁর। পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইতিমধ্যেই ওই দালালের নাম জানা গিয়েছে। এমনকি দালালের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ৭৯ নাকি ৮০, ২০২৬-এ কত তম স্বাধীনতা দিবস? দেখে নিন হিসাব
এ বিষয়ে এসডিপিও সৌমজিত রায়ের বক্তব্য, ওই যুবক দার্জিলিঙে ঘুরতে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁকে দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়েছিল। সেই কারণে তাঁকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসা করার পর তিনি স্বীকার করে নেন যে তিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা। বেআইনিভাবে এই দেশে পারাপার হয়ে এসেছেন। রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী বর্তমানে তাঁকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। এরপর যা নির্দেশ আসবে সেই অনুযায়ী কাজ হবে। কিন্তু ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।