বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাতের অন্ধকারে রাস্তায় স্কুটার থামিয়ে নাবালিকা এবং তাঁর বন্ধুকে হেনস্থা। বাকবিতান্ডার মাঝেই ওই নাবালিকাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মুখে কাপড় বাঁধা এক যুবক (Nandan Yadav)। ওই নাবালিকার শরীরের যত্রতত্র অশ্লীলভাবে স্পর্শ এবং তাঁর শরীরের নানা জায়গায় খামচে ধরে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল। বিহারের (Bihar) জামুইয়ের সেই নক্কারজনক ঘটনায় আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদবকে। এবার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল নন্দনের বাবা গনৌরি যাদবও।
নন্দনের বাবাকে কেন গ্রেফতার করল পুলিশ?
পুলিশ সূত্রে খবর, নাবালিকাকে অত্যাচারের ঘটনায় নয় বরং 2003 সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, 2003 সালের 3 এপ্রিল, জমুইয়ের প্রতাপপুর গ্রামে ডিপি যাদব এবং পুনে যাদব নামক দুই ব্যক্তিকে খুনের অভিযোগ ওঠে, সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় 11 জনকে। সেই তালিকায় ছিলেন গনৌরি যাদবও।
পুলিশের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই জোড়া খুনের ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি এড়িয়ে চলছিলেন নন্দনের বাবা। সূত্রের যা খবর, নাবালিকাকে হেনস্থা এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মূল অভিযুক্ত নন্দনকে গ্রেফতার করতে যাওয়ার সময় পুরনো জোড়া খুনের মামলায় তাঁর বাবাকেও গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে পুলিশ। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে গনৌরির বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য তাঁকে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১৮ বছরেই চলে যায় বাবা, ভারতের হয়ে এশিয়ান গেমসে পদক জিতলেন ‘UBER ক্যাব চালক’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জমুইয়ে স্কুটার দাঁড় করিয়ে দশম শ্রেণীর এক ছাত্র এবং তাঁর নাবালিকা বান্ধবীকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছিল নন্দনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় নন্দন যাদব। ওই অভিযুক্তর সাথে কয়েক দফা সংঘর্ষে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে নন্দনের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। তারপরেই তাঁকে আটক করা হয়।