=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

কন্যাশ্রীতে মিলছে হাজার হাজার টাকা, তাও বাল্য বিবাহে শীর্ষে বাংলা! প্রকাশ্যে রিপোর্ট

child marriage

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার যেখানে মেয়েদের জন্য একগাদা সুবিধা দিয়ে রেখেছে, ঠিক সেখানেই দেশের মধ্যে সবথেকে লজ্জাজনক ঘটনা ঘটছে এ রাজ্যেই। এক রিপোর্ট বলছে, দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি নাবালিকা বিয়ের (Child Marriage) ঘটনা ঘটছে বাংলাতেই। সাম্প্রতিক স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই এ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

কি বলছে ওই রিপোর্ট?

রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেন্সাস কমিশনের দপ্তরের তরফ থেকে জারি করা ওই রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৬.৩% মেয়ের ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হচ্ছে। আর বড় রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে এটি সবথেকে বেশি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঝাড়খণ্ড, যেখানে এই হার ৪.৬% আর সবথেকে কম রয়েছে কেরলে, যেখানে এই হার মাত্র ০.১%।

সবথেকে বড় ব্যাপার, গ্রামীণ ও শহর, দুই ক্ষেত্রেই প্রায় একই ছবি। কারণ গ্রামীণ এলাকায় পশ্চিমবঙ্গের নাবালিকাদের বিয়ের হার ৫.৮%, যেখানে জাতীয় ঘর ২.৫%। শহর অঞ্চলের হার তো আরও ভয়ংকর। কারণ সেখানে ৭.৬% মেয়েরই ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে হচ্ছে, যেখানে জাতীয় স্তরে হার মাত্র ১.২%। শহর অঞ্চলের দিক থেকে এর পরেই রয়েছে জম্মু-কাশ্মীর, যেখানে ৩.৫% এবং উড়িষ্যায় ২.৮%।

গত কয়েক মাসে সামান্য হ্রাস

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাসের প্রকাশিত রিপোর্টে এই হার ছিল ৬.৫%। তবে সেপ্টেম্বরের রিপোর্ট সামান্য হ্রাস পেয়েছে। এখন দাঁড়িয়েছে ৬.৩%। আর এহেন পরিস্থিতিতে দেশের মধ্যে সবথেকে অবস্থা খারাপ পশ্চিমবঙ্গের তা বলা অপেক্ষায় রাখে না। জাতীয় স্তরেও নাবালিকাদের বিয়ের হার ২.৬% থেকে কমে ২.১%-এ নেমে এসেছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্পের সাফল্য তাহলে কোথায়?

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন কন্যাশ্রী প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল নাবালিকাদের বিবাহ আটকানো ও মেয়েদেরকে শিক্ষায় উৎসাহিত করে তোলা। আগস্ট মাসে কন্যাশ্রী দিবসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় ৯৩ লক্ষ কন্যা সন্তান সুবিধা পেয়েছে, আর শীঘ্রই তা ১ কোটি ছাড়াবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এবছর বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ৫৯৩.৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আর ২০২৪-২৫ সালে ১৫.৭৫ লক্ষ মেয়ে বার্ষিক ১০০০ টাকা করে কন্যাশ্রী প্রকল্প বাবদ ভাতা পেয়েছে। এমনকি এককালীন অনুদান অর্থাৎ ২৫,০০০ টাকা করে মোট ২.০১ লক্ষ কন্যা পেয়েছে। তাছাড়াও রাজ্যের ২০২৫-২৬ বাজেটে ১১.৮ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বিভিন্ন রকম নারী-সুরক্ষামূলক প্রকল্পের জন্য, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৮% বেশি।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারত আমার কাছের, মোদী আমার প্রিয় বন্ধু!’ শুল্কের মাঝেই সুর নরম করলেন ট্রাম্প

আর এই বিপুল বরাদ্দ, প্রকল্প ও সচেতনতামূলক প্রচারের পরেও প্রশ্ন উঠছে, কেন তাহলে নাবালিকা বিয়ের হার পশ্চিমবঙ্গে সর্বাধিক? বিশেষজ্ঞরা মনে করছে, এর পিছনে মূল কারণ দারিদ্র্য ও অল্প বয়সে মেয়েদের শিক্ষা থেকে বিচ্ছেদ এবং সামাজিক প্রথা ও কুসংস্কার।

Leave a Comment