=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক চোর!’ অপমানিত হয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন কাউন্সিলর

Barrackpore

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, আর সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট প্রচারের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে সকলে। এমতাবস্থায় ফের ব্যারাকপুরে রাজনৈতিক শিবিরে ভাঙনের অভিযোগ উঠল, তাও আবার তৃণমূল অন্দরে। জানা গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন উত্তর ব্যারাকপুর (Barrackpore) পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপ। তবে তিনি একা নন তাঁর সঙ্গে দলবদলের পথে হাঁটছেন স্বামী মৃন্ময় কাশ্যপও।

তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত দম্পতির

রিপোর্ট মোতাবেক, গত রবিবার উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপের বাড়িতে হাজির হন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। আর তাঁর উপস্থিতিতেই আচমকা বড় সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল কাউন্সিলর। বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এবার তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপ এবং তাঁর স্বামী মৃন্ময় কাশ্যপ কোনও রাখঢাক না রেখে তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। আর তাতেই ব্যারাকপুরে শাসকদলের অস্বস্তি বাড়ল চরমে। তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কাউন্সিলর শ্রাবণী দেবী জানান, “অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বেই আমরা বিজেপিতে যাব। তৃণমূলে থেকে যেভাবে অপমানিত ও অবহেলিত হয়েছি, তাতে আর থাকা সম্ভব নয়।”

কী বলছেন মৃন্ময় কাশ্যপ?

বিজেপিতে যোগ দান করা নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপের স্বামী মৃন্ময় কাশ্যপ এদিন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চোর বলে মন্তব্য করেন। একসময় এই মৃন্ময় কাশ্যপ ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ‘ছায়াসঙ্গী’। তৃণমূল ছাড়া নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘চোরের ছায়াসঙ্গী কি কেউ থাকতে চায়? রাজনৈতিক কারণে এক সময় ছিলাম। উনি খাদ্যমন্ত্রী হয়ে গরিব মানুষের চাল চুরি করেছেন। মানুষ লিস্ট বানাচ্ছে, কোন তৃণমূল নেতা কার থেকে কত টাকা নিয়েছেন।’ এছাড়াও মৃন্ময় বাবু আরও জানিয়েছেন, “সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলেও সময় এখনই বলতে চান না। তবে বিজেপি অনেক বড় দল। তৃণমূলের মতো নয়। এখানে সব কিছু একটা সিস্টেম মেনে হয়।”

কবে যোগ দেবেন বিজেপিতে?

তৃণমূল কাউন্সিলর শ্রাবণী কাশ্যপ এবং স্বামী মৃন্ময় কাশ্যপের বিজেপিতে যোগদান করা নিয়ে অর্জুন সিং জানিয়েছেন, “যাঁরা তৃণমূলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন, আমি তাঁদের পাশে আছি। তৃণমূলে থেকে কাজ করতে সমস্যা হলে তাঁরা আমাদের সঙ্গে আসতে পারেন।” তবে কবে এনারা যোগদান করবে গেরুয়া শিবিরে সেই নিয়ে কোনো স্পষ্ট মন্তব্য না করলেও অর্জুন সিং জানান, “পৌষ মাস গেলেই দলে আসবেন কাশ্যপ দম্পতি। তবে তাঁরা একা নন, লাইনে অনেকেই রয়েছে জনরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চায়।

আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি সহ ভারতে তিনটি ভিসা কেন্দ্র বন্ধ করল বাংলাদেশ

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন শ্রাবণী কাশ্যপ। পুরপ্রধান মলয় ঘোষের বিরুদ্ধে পুরসভার কাজে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। সেই সময় থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হতেই চলেছে একে অপরের বিরুদ্ধে। এবার সেই রাগ বহিঃপ্রকাশ হল। যদিও এই দলবদলকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, ব্যক্তিগত অসন্তোষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত, এতে সংগঠনে কোনও প্রভাব পড়বে না।

Leave a Comment