=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৬ লক্ষ টাকায় শৌচালয় নির্মাণ! বাঁকুড়ায় পাবলিক টয়লেটের বাজেট দেখে চক্ষু চড়কগাছ

Bankura

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সরকারি আবাস যোজনা নিয়ে শুরু থেকেই কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সংঘাত লেগেই রয়েছে। অর্থ লেনদেনে কারচুপির অভিযোগ তুলে কেন্দ্র অনেকদিন আগেই রাজ্যকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে, বারংবার রাজ্য কেন্দ্রের কাছে চিঠি পাঠালেও কোন আবেদনে সাড়া দেয়নি, রাজ্য সরকার নিজের উদ্যোগেই এই প্রকল্প চালিয়ে আসছে।। এমতাবস্থায় এই প্রকল্প নিয়েই উঠে এল বিস্ফোরক অভিযোগ। জানা গিয়েছে ঘর তৈরির থেকে শৌচালয় নির্মাণ করতে খরচ হচ্ছে লাখ লাখ টাকা! এমন ঘটনা ঘটল বাঁকুড়া (Bankura) পুরসভার সামনে।

বাঁকুড়ায় শৌচালয় নির্মাণ নিয়ে তোলপাড়

সরকারি প্রকল্পে শহরাঞ্চলে বাড়ি তৈরির জন্য বরাদ্দ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার আর গ্রামে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ প্রকল্পের অধীনে শৌচালয় নির্মাণের জন্য দেওয়া হয় ১২ হাজার টাকা। কিন্তু এবার এক বিজ্ঞাপনে টাকার পরিমাণ দেখে চোখ কপালে উঠল সকলের। দেখা গিয়েছে, বাঁকুড়ায় শৌচালয় নির্মাণের যে ডিসপ্লে ফ্লেক্স দেওয়া হয়েছে, তাতে খরচ দেখানো হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৩৩ টাকা। একটি শৌচালয় নির্মাণ করতে এত টাকা লাগছে কেন সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এছাড়াও বিজ্ঞাপনে কারচুপির অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা।

৬ লক্ষ টাকার শৌচালয় নির্মাণ

রিপোর্ট মোতাবেক সম্প্রতি বাঁকুড়া পুরসভার সামনে পুরোনো একটি টয়লেট ভাঙা হয়েছে। সেখানে দুকামরার একটি টয়লেট তৈরির জন্য কাজ শুরু হয়েছে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদার সংস্থা। নিয়ম হল কোনও নির্মাণ কাজ করতে হলে তথ্য সম্বলিত বোর্ড লাগাতে হয়, তাই সেখানেও লাগানো হয়েছে। আর ওই বোর্ড দেখেই চমকে ওঠেন সকলে। দেখা যায় ওই টয়লেট ব্লক নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৭৩৩ টাকা। অনেকে মহার্ঘ্য এই বিজ্ঞাপনের ছবি তুলে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেন। সমান ঝড় ওঠে নেটিজেনদের মধ্যে। বিতর্ক বাড়তেই তড়িঘড়ি ওই ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ SC, ST, OBC-দের সংরক্ষণ নিয়ে বড় রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট!

বিজেপির কটাক্ষ

এমনিতেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে নানা ধরনের কারচুপির অভিযোগ প্রায়শই উঠে আসে শাসকদলের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের আগেও ফের শাসকদলের বিরুদ্ধে উঠে এলো আরো এক অভিযোগ, তাই এই বিষয়কে হেলাফেলা করতে নারাজ বিজেপিও। আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল নিজের সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি পোস্ট করে সরাসরি পুরসভার বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, “একটা শৌচালয় তৈরি করতে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে কেন? কাটমানি দেওয়ার হিসেব কষেই এই বরাদ্দ করা হয়েছে। মানুষ যে পুরো হিসেব বুঝতে পারছে, ২৬ এর ভোটেই তা প্রমাণ হবে।”

আরও পড়ুন: রেলপথে জুড়ে যাবে ডুয়ার্স ও বেঙ্গালুরু, চলছে নতুন ট্রেন রুট জোড়ার পরিকল্পনা

টয়লেট ব্লক নির্মাণ প্রসঙ্গে বাঁকুড়া পুরসভার পুরপ্রধান অলকা সেন মজুমদার বলেন, “একদম অত্যাধুনিক একটি টয়লেট তৈরি হয়েছে। সব রকম সুযোগ সুবিধা থাকছে সেখানে। অর্থ বরাদ্দ করেছে স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট অথোরিটি। ই-টেন্ডারের মাধ্যমে সেই কাজ করাচ্ছে পুরসভা। যেহেতু এই কাজে আধুনিক সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে ওই শৌচালয় তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তাই বেশি পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।” অন্যদিকে মিউনিসিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার শুভনীল দাস বলেন, “আমাদের পাবলিক টয়লেটে অনেকগুলি ইউরিনাল থাকে। তবে এই মুহূর্তে বাজেট না দেখে কিছু বলা যাবে না।”

Leave a Comment