সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় কখন কে ভাইরাল হয়ে যায় তা বলা দুষ্কর। ঠিক তেমনই সম্প্রতি এক ডেলিভারি বয় ট্রেন্ডিং-এ (Delivery Boy Viral Video) উঠে এসেছে, যাকে তাঁর স্কুল জীবনের সহপাঠীরাই ভাইরাল করেছে। হ্যাঁ, ছেলেটি ডমিনোজে ডেলিভারি বয়ের কাজ করাতে এক যুবতী তাঁর ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়ে, যা রাতারাতি ভাইরাল হয়ে যায়। এমনকি অনেকে কটাক্ষ করতে শুরু করে যে, কোনও কাজই ছোট নয়। নিজের সহপাঠীকে এরকম ভাবে দেখানো তাঁর উচিত হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তবে এবার প্রকাশ্যে আসলো আসল সত্যি।
ভাইরাল ডেলিভারি বয়
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ছেলেটি ডমিনোজে ডেলিভারি বয়ের কাজ করে। তবে হঠাৎ করেই তাঁর পুরনো সহপাঠীদের সাথে দেখা হয়। তার মধ্যে একজন মেয়ে সহপাঠী ভিডিও বানিয়ে বলে, এর সাথে বহুদিনের সম্পর্ক। মোটামুটি কুড়ি বছর তো হবেই। আর আজ ও ডমিনোজে ডেলিভারি বয়ের কাজ করছে। ডমিনোজে কাজ করে তুই কেমন ফিল করছিস? এমনকি তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যায় যে, স্কুল লাইফের কথা মনে আছে? ছেলেটি উত্তরে বলে, ঐদিন আর কোনও দিন ফিরে পাবো না।
जिस डिलीवरी बॉय का मजाक वाला वीडियो बनाया गया, वास्तव में यह असली नहीं, बल्कि स्क्रिप्ट करके हंसी-मजाक में बना दिया गया था, एक्टिंग ऐसी थी कि लोगों ने सच मान लिया और रिएक्शन देने शुरू कर दिए. #SocialMedia #viralvideo pic.twitter.com/qPn2rmRdRJ
— Nitin Sabrangi (@NitinSabrangi) January 30, 2026
তবে এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নেটিজেনরা ক্ষোভ উগড়ে দিতে থাকে। কেউ কেউ বলে, নিজের সহপাঠীকে নিয়ে এরকম ভিডিও করা মোটেও উচিত হয়নি। কোনও কাজই ছোট নয়। তবে আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করে। এদিকে ভিডিও ভাইরাল হতেই তাঁরা নিজেদের ব্যাখ্যা দেয়। তাঁরা ওই ছেলেটিকে নিয়ে ফের একটি ভিডিও বানিয়ে বলে যে, আমরা শুধুমাত্র মজার জন্যই ভিডিওটি করেছি। তাঁকে ছোট করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা ভাবতেও পারিনি, এই ভিডিওটি এতটা ভাইরাল হয়ে যাবে। ও মাত্র ২২ বছরের একটি ছেলে। ওর কঠোর পরিশ্রমকে কুর্নিশ জানাই।
So, it was a scripted video
Fake Pizza delivery boy
pic.twitter.com/iItG80XtlA
— Pradeep Gupta (@Pradeep_G7) January 30, 2026
আরও পড়ুন: SIR নিয়ে বৃহৎ ষড়যন্ত্র রাজ্য সরকারের? WhatsApp বার্তা ফাঁস করলেন শুভেন্দু
এমনকি ওই ছেলেটি নিজেও ব্যাখ্যা দেয়। সে বলে, বর্তমান সময়ে কোনও ভিডিও ভাইরাল হলে কেউ যাচাই করে না। যে যা খুশি বলতে শুরু করে। বড় বড় নিউজ চ্যানেল পর্যন্ত ভিডিওর কোনও সত্য যাচাই না করে ছেড়ে দেয়। এমনকি আমার অনেক ফেক আইডিও বানানো হচ্ছে। তাঁর সহপাঠীদের বক্তব্য, আমরা শুধুমাত্র কমেডির জন্যই ভিডিওটি করেছিলাম। যদি আমরা ক্রিয়েটর হতাম, তাহলে আরও অনেক ভিডিও করতে পারতাম। এখন সবাই মেয়েদেরকেই হেট করছে।
