=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

লটারিতে কোটি টাকা জিতেও পেলেন না কিছুই, এক ভুলেই সব শেষ প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের!

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: লটারিতে 20 কোটি টাকা জিতেও মিলল না কিছুই। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালায় (Lottery Winner)। নিউজ 18 এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেরালার অবসরপ্রাপ্ত অ্যাসিস্টেন্ট সাব ইন্সপেক্টর সাজিমন ক্রিসমাস নিউ ইয়ার বাম্পার লটারির একটি টিকিট কেটেছিলেন। পরবর্তীতে ওই টিকিটে পুরস্কার হয় 20 কোটি টাকা। তবে সেই পুরস্কার পাননি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। কিন্তু কেন? জানা যাচ্ছে, 20 কোটি মূল্যের ওই লটারির টিকিটের আসল মালিক কে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। ফলে, গোটা বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় কেরালা হাইকোর্ট।

20 কোটি জিতে মিলল না ফুটো পয়সাও!

কেরালার প্রাক্তন পুলিশ অফিসার সাজিমনের দাবি, তিনি ক্রিসমাস-নিউ ইয়ার বাম্পার লটারির একটি টিকিট কেটেছিলেন। জানা যায়, সবরিমালা যাত্রায় গিয়ে একটি প্রসাদের থালার মধ্যে নিজের লটারির টিকিটটি রেখেছিলেন ওই প্রাক্তন পুলিশ কর্মী। পরবর্তীতে পুজো দিয়ে ফিরে এসে নিজের গাড়িতে লটারি টিকিট সমেত প্রসাদের খেলাটি রেখে দিয়েছিলেন তিনি। ওই পুলিশকর্মীর দাবি, অনলাইনে যে টিকিটটি কেনা হয়েছিল সেটি কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়। পরে তিনি জানতে পারেন ওই টিকিটে 20 কোটি টাকা পুরস্কার হয়েছে। সেই মতোই, লটারি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা জানায়, তাঁর কাছে যে টিকিট রয়েছে তাতে পুরস্কার হয়নি। পরবর্তীতে যিনি পার্সেল নিয়ে এসেছিলেন তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হলে ওই ডেলিভারি বয় জানান ওই টিকিটটি তিনি পাননি।

এদিকে, অন্য এক ব্যক্তি লটারির কাউন্টারে 20 কোটি মূল্যের টিকিটটি জমা করেন। যে ঘটনায় প্রাক্তন ASI অফিসার কেরালা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতে ওই ব্যক্তির দাবি, ভুলবশত টিকিটটি পার্সলে চলে গিয়েছিল। পরে খোঁজাখুঁজি করলে তিনি বুঝতে পারেন টিকিটটি পার্সলে চলে গেছে। পরবর্তীতে পার্সেল প্রাপকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওই টিকিটটি পাননি বলেই জানিয়ে দেন। যেই ঘটনায় কুরিয়ার কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এদিকে পার্সেলটি খোলা হয়েছে কিনা তা যাচাই করে দেখতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে পুলিশ।

অবশ্যই পড়ুন: ইজরায়েলের লেজার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনতে পারে ভারত, বাড়বে চিন-পাকিস্তানের চিন্তা!

এদিকে, প্রাক্তন পুলিশ কর্মী আদালতে অভিযোগ জানানোর পর বিচারপতিদের তরফে আপাতত ওই টিকিটের পুরস্কার বিতরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। লটারি কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, গোটা প্রক্রিয়াটি আদালতে বিচারাধীন। যতদিন পর্যন্ত ওই টিকিটের আসল বিজেতাকে খুঁজে না পাওয়া যাচ্ছে ততদিন 20 কোটি টাকার পুরস্কার মূল্য বিতরণ করা যাবে না। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই কেরালার ওই প্রাক্তন পুলিশকর্মী আদালতে দাবি করেছেন, ওই টিকিটটি তাঁরই। এই টিকিটের পেছনে নিজের নাম এবং পরিচয় লিখে রেখেছিলেন তিনি। এক কথায়, লটারিতে 20 কোটি টাকা জিতেও ফুটো পয়সাও পেলেন না বিজেতা! এই মামলায় পরবর্তী শুনানি রয়েছে আগামী 27 ফেব্রুয়ারি।

Leave a Comment