=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

২০২৬-এ গাজন কত তারিখে? দেখুন দিনক্ষণ, পালনের নিয়ম ও মাহাত্ম্য

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলার লোক ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় চেতনার এক অনন্য মিলনকে বলা হয় গাজন উৎসব (Gajan 2026)। হ্যাঁ, এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ চড়ক পূজা, যাকে অনেক জায়গায় নীল পূজা বা হাজরা পূজা হিসেবেও পালন করা হয়। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শেষের দিকে এই উৎসব পালিত হয়, যা একদিকে ধর্মীয় ভক্তির প্রতীক, অন্যদিকে কৃষি এবং সামাজিক জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। কিন্তু ২০২৬ সালে এই গাজন উৎসব কত তারিখে পড়ছে? জানুন।

গাজন আর চড়কের তাৎপর্য

বলে রাখি, গাজন উৎসব মূলত ভগবান শিবের উপাসনার সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে এটিকে নীলকন্ঠ রূপে পালন করা হয়। পুরাণ অনুযায়ী, সমুদ্র মন্থনের সময় বিষ পান করে মহাদেব বিশ্বকে রক্ষা করেছিলেন। আর সেই আত্মহত্যাগ এবং সহিষ্ণুতার প্রতীক হিসেবেই এই উৎসব পালিত হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে ভক্তরা আত্মসংযম, ত্যাগ, ধৈর্য ও সমাজ কল্যাণের প্রতি দায়বদ্ধতা শেখেন।

গাজনের আচার এবং তপস্যা

চৈত্র মাসের একদম শেষের দিকে ভক্তরা এই গাজন ব্রত পালন করে থাকেন। আর এই সময় তাদের জীবনযাপন আরও সরল এবং সংগ্রামপূর্ণ হয়। প্রথাগতভাবে গাজনে অগ্নিপথে হাঁটা হয়, এমনকি শরীরে ভেদন করা হয় আর চড়ক গাছে দোল খাওয়া হয়। হ্যাঁ, শরীরের বিভিন্ন অংশকে ছেদ করা হয় এই গাজন উৎসবে। কিন্তু আধুনিক সময়ে এই কঠোর আচারগুলি অনেকটাই প্রতীকী রূপেই পালিত হয়। সেখানে নিরাপত্তা আর মানবিকতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কিন্তু হ্যাঁ, চড়ক পূজার সবথেকে প্রধান প্রতীক হল চড়ক গাছ। একটি লম্বা খুঁটি, যাকে মাটির সঙ্গে আকাশের সংযোগের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়। আর এর চারপাশে শোভাযাত্রা প্রদক্ষীণ, গান, নৃত্য এবং লোকনাট্য ইত্যাদির আয়োজন করা হয়। এমনকি এটি পুরনো বছর থেকে নতুন বছরে প্রবেশের একটি প্রতীক।

২০২৬-এ গাজন কত তারিখে? | Date of Gajan 2026 |

আমরা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী জানতে পারছি, ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল নীল পূজা বা গাজন অনুষ্ঠিত হবে, আর ১৪ এপ্রিল হবে চড়ক পূজা। বাংলা ক্যালেন্ডার হিসেবে ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ ২৯ চৈত্র, সোমবার এবং ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ ৩০ চৈত্র, মঙ্গলবার।

গাজনের উৎসব আর মেলা

প্রসঙ্গত, গাজন বা চড়ক পূজা শুধুমাত্র কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি সামাজিক উৎসবও বলা চলে। এই সময় চড়ক মেলা, লোক সংগীত ও যাত্রাপালা, হস্তশিল্প এবং স্থানীয় বাজার দেখা যায়। এর মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পী, কারিগর ও ব্যবসায়ীরা নতুন সুযোগ পায় এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

এমনকি নীল পূজার দিন অনেকেই বাড়িতে বা শিব মন্দিরে আরাধনা করেন। সাধারণত শিবলিঙ্গে জল, দুধ বা পঞ্চামৃত অর্পণ করে থাকেন ভক্তরা। আর বিল্বপত্র নিবেদন করেন এবং প্রদীপ জ্বালান। এর সাথে ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করেন আর প্রসাদ বিতরণ করে থাকেন।

আরও পড়ুন: ২০২৬-এ অক্ষয় তৃতীয়া কত তারিখে পড়ছে? জানুন সময়সূচি, তিথি নক্ষত্র ও তাৎপর্য

বিভিন্ন অঞ্চলে গাজন পালন

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও বাংলাদেশ, ত্রিপুরা এবং অসমের বরাক উপত্যকায় এই উৎসব সমান গুরুত্ব দিয়ে পালিত হয়। আর অঞ্চলভেদে আলাদা আলাদা লোকসংগীত, ঢোল বা বাদ্যযন্ত্রের ভিন্নতা এবং বিশেষ খাদ্য বা প্রসাদ বিতরণ করতে দেখা যায়। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য একটাই। ভালো ফসল, সুস্বাস্থ্য ও সমাজের মঙ্গল কামনা করা।

Leave a Comment