=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৩ বছর পর বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা, হাওড়া জেলা পরিষদে উড়ল গেরুয়া আবির

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মুহূর্তে পাল্টে গেল ভোটের রেজাল্ট! তিন বছরের আইনি লড়াই শেষে হাওড়া (Howrah) জেলা পরিষদে অবশেষে একটি আসন পেল বিজেপি (BJP) । মামলার ভিত্তিতে আদালতের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, হাওড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী হলেন বিজেপির ঝুমঝুম নস্কর। কিন্তু আদালত সেই নির্দেশ দিলেও তা এতদিন ফেলে রেখেছিল জেলা প্রশাসন। প্রায় পাঁচ মাস পর বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের তরফে ঝুমঝুম নস্করের হাতে জয়ের সার্টিফিকেট (Certificate) তুলে দেওয়া হয়। আর এই ঘটনায় উচ্ছ্বসিত জেলার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

৪২টি আসনেই জিতেছিল তৃণমূল

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে হাওড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে তফসিলি উপজাতি সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ঝুমঝুম নস্কর। এবং ওই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ছিলেন অপর্ণা বর। আর তাতেই ৪২টি আসনেই জিতেছিল তৃণমূল। এদিকে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তোলেন বিজেপি প্রার্থী ঝুমঝুম। তাঁর দাবি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়ে প্রতিপক্ষ প্রার্থী ভুয়ো তফসিলি উপজাতি শংসাপত্র জমা দিয়েছিলেন। আর তাই নিয়েই আদালতে মামলা করেন তিনি। আর সেই মামলার স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে নির্বাচনের জয়ী হয়েছিল বিজেপি।

কেন সার্টিফিকেট দিতে দেরি প্রশাসনের?

মামলার শুনানির পর গত বছরের ডিসেম্বর মাসে হাওড়া আদালত বিজেপি প্রার্থী ঝুমঝুম নস্করের পক্ষে রায় দিয়ে তাঁকে জয়ীর শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। আদালত সেই নির্দেশ দিলেও তা এতদিন ফেলে রেখেছিল জেলা প্রশাসন। প্রায় পাঁচ মাস পর গত, বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের তরফে ঝুমঝুম নস্করের হাতে জয়ের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। সার্টিফিকেট দিতে এত দেরি হওয়া নিয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘‘ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড়সংশোধন প্রক্রিয়া এবং তার পরে ভোটের নানা কাজ থাকায় ওই বিষয়ে নজর দিতে পারেননি আধিকারিকেরা। ভোট মিটতেই আদালতের নির্দেশ মেনে শংসাপত্র দেওয়া হল।’’

আরও পড়ুন: তৃতীয় সন্তানে ৩০,০০০ ও চতুর্থ সন্তান হলে ৪০,০০০ টাকা! বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের

এদিকে সদ্য মেটা বিধানসভা ভোটের আগে ঝুমঝুম নস্কর তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। নিজেকে সাঁকরাইল আসনে তৃণমূল প্রার্থী বলে দাবি করে মনোনয়নও জমা করেন। পরে যদিও তা খারিজ হয়। আর সেই প্রসঙ্গে ঝুমঝুম দেবী বলেন, ‘‘ওটা সাময়িক উত্তেজনার বশে করে ফেলেছিলাম। তবে জানতাম, মনোনয়ন বাতিল হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘তিন বছর ধরে মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এবার শপথ নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে দ্রুত হাত দেব।” অন্যদিকে, সাঁকরাইল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অমৃত বসু বলেন, “এই বিষয়ে জেলার নেতৃত্বই ভালো বলতে পারবে। এখনও সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার আইনি সুযোগ রয়েছে।” তবে এই ঘটনায় সাঁকরাইলের তৃণমূল নেতৃত্ব যে অস্বস্তিতে পড়েছে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে।

Leave a Comment