=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

তিলজলার পর এবার হাওড়ায় বুলডোজার! বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে তৎপর সরকার

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই রাজ্যে বেআইনি নির্মাণ (Illegal Construction) এবং সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে ‘বুলডোজার নীতি’ চালু করেছে কলকাতায়। আর এবার তিলজলার পরে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার নামতে চলেছে হাওড়ায়(Howrah)। শোনা যাচ্ছে, রাজনৈতিক মদতে হাওড়ার পুরোনো বস্তি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলিতে বহু বছর ধরেই বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে। ফাঁকা জায়গা না রেখেই বহুতল বাড়ি উঠে যাচ্ছে। তাই এবার সেই অবৈধতা রুখতে নেওয়া হতে চলেছে কঠোর পদক্ষেপ।

হাওড়ায় বুলডোজার!

কলকাতার পরেই বেআইনি নির্মাণে এগিয়ে রয়েছে হাওড়া। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর থেকে গত শনিবার হাওড়া পুরসভাকে নোটিস দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, শহরে পুর আইন না মেনে যে সমস্ত নির্মাণকাজ হয়েছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত ভেঙে ফেলতে হবে। আর সেই নির্দেশ পাওয়ার পরেই পুরসভা ৬০০টি সম্পূর্ণ বেআইনি বাড়ির তালিকা তৈরি করেছে। যার মধ্যে ছ’টি ওয়ার্ডের ছ’টি বহুতলকে ভাঙার তালিকায় প্রথম সারিতে রাখা হয়েছে। গিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকে পর্যায়ক্রমে বুলডোজার দিয়ে এই ছ’টি বেআইনি বহুতল ভাঙার কাজ শুরু হবে।

বেআইনি নির্মাণ হাওড়ায়

সূত্রের খবর, ২০১৩ সালে হাওড়া পুরসভায় তৃণমূল বোর্ড গঠন করার পর থেকে সেখানে নাকি বেআইনি নির্মাণের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এবং জরিমানা নিয়ে বেআইনি অংশকে আইনি করে দিত হাওড়া পুরসভা। কিন্তু ২০১৮ সালের পর ওই বোর্ড না থাকায় রাজ্য সরকারের তৈরি করা প্রশাসকমণ্ডলী হাওড়া শহরের দায়িত্ব নেয়। তখন থেকেই বেআইনি নির্মাণ আইনি করার কাজ বন্ধ করে প্রশাসকমণ্ডলী। কিন্তু অধিকাংশ প্রোমোটার পুরসভার অনুমোদিত নকশার বাইরে অতিরিক্ত একতলা বা দোতলা তৈরি করে বেআইনি নির্মাণ অবাধে চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এবার তাই সেই অবৈধ কাজ বন্ধ করতে উঠেপড়ে লাগল বিজেপি সরকার।

প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২১ মে, বুধবার, হাওড়া জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে হাওড়ার বেআইনি নির্মাণ, জল জমার সমস্যা, জঞ্জাল সাফাই, পানীয় জলের সমস্যা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থা এবং অফিসার, ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মী না থাকার বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্টও তুলে ধরা হবে। আর সেখান থেকেই তৈরি হবে আগামী দিনের হাওড়ার উন্নয়নের রূপরেখা। পুরসভার বক্তব্য, বেআইনি বাড়ি ভাঙতে গেলেও অনেক অর্থ ও পরিকাঠামো লাগে। তাই ২০২২ সাল থেকে তৈরি ৬০০টি বেআইনি বাড়ির একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আটকে রেখেছিল প্রাক্তন সরকার, সময়ের ১০ ঘণ্টা আগেই শেষ চিংড়িঘাটা মেট্রোর বড় কাজ

উল্লেখ্য, হাওড়া পুরসভার অন্তর্গত যে সব বেআইনি নির্মাণ হয়েছে, সব ভাঙার মতো পরিকাঠামো বা আর্থিক ক্ষমতা তাদের নেই। শুধু আর্থিক সমস্যাই আছে হাওড়া পুরসভায়, এমন নয়। এই মুহূর্তে পুরসভার মূল সমস্যা অভিজ্ঞ কর্মীর সঙ্কট। যেখানে পুরসভায় ইঞ্জিনিয়ার থাকার কথা ৯০ জন, আছেন মাত্র ১২ জন। এখন দেখার এই বিষয়ে নিয়ে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Leave a Comment