পোষ্য পাললেই লক্ষ্মীর কৃপা! বাড়িতে নিয়ে আসুন এই ৪ প্রাণী

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাড়িতে পোষ্য রাখতে অনেকেই বেশি ভালোবাসেন। কেউ বিড়াল, কুকুর পোষেন (Pet) তো কেউ আবার পাখি বা মাছ পুষতে আগ্রহী হন। কিন্তু জানেন কি এসবের ক্ষেত্রেও কাজ করে জ্যোতিষ শাস্ত্র। আসলে বাস্তুশাস্ত্রে এমন কিছু পশু-পাখী রয়েছে যাদের বাড়িতে পোষ্য হিসেবে রাখলে সংসারের শ্রীবৃদ্ধি যেমন ঘটে (Vastu Tips) ঠিক তেমনই কেটে যায় যাবতীয় অশুভ ছায়া। তাই কোন কোন পোষ্য বাড়িতে থাকা ভালো তা দেখে নেওয়া যাক।

খরগোশ

বাড়িতে কম বেশি অনেকেই খরগোশ পোষেন। জ্যোতিস শাস্ত্রে খরগোশ পোষা অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। বলা হয় খরগোশ পুষলে নাকি বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধির আগমন ঘটে। বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার ঘটে। তবে মনে রাখবেন কখনও একটি খরগোশ পোষা উচিত না। জোড়ায় জোড়ায় খরগোশ পোষা উচিত। তাহলে সেই বাড়ির শিশুরা ভবিষ্যতে বেশ উন্নতি করে বলে দাবি।

কচ্ছপ

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে বাড়িতে কচ্ছপ রাখাও অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। কচ্ছপ হল বিষ্ণুর দশম অবতারের মধ্যে একটি। এই কারণে লক্ষ্মীর প্রতিনিধি হিসাবে কচ্ছপকে বাড়িতে রাখা হয়। পরিবারের অন্দরে অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক নানাবিধ সমস্যাও কমতে শুরু করে। অর্থাৎ কচ্ছপকে পোষ্য হিসাবে রাখলে কোনওদিন অর্থের অভাব হয় না।

কুকুর

বেশীরভাগ পোষ্যপ্রেমীরা কুকুর পুষে থাকেন। কারণ এরা সবচেয়ে বেশি বিশ্বস্ত প্রাণী। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে কালো রঙের কুকুর পোষা বাড়ির জন্য অধিক শুভ। যদি কারোর কুষ্ঠিতে শনি দুর্বল অবস্থায় থাকে তাহলে কালো রঙের কুকুরকে খাবার খাওয়ানো উচিত। এতে শনির দশা কেটে যায়। এছাড়াও একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে কুকুরের গায়ে থাকা বেশ কিছু ব্যাকটেরিয়া মানব শরীরে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই শক্তিশালী হয়।

আরও পড়ুন: পার্লারের খরচ বাঁচিয়ে বাড়িতেই তুলুন মুখের অবাঞ্ছিত লোম! রইল উপায়

পায়রা

বাড়িতে অর্থনৈতিক অবস্থা বাড়াতে হলে পায়রা পোষা খুবই ভালো। এমনকি পায়রা পুষলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়। তবে এক্ষেত্রেও জোড়া পায়রা পোষা উচিত। বিশেষ করে সাদা পায়রাকে যেহেতু খুব শুভ বা শান্তির প্রতীক বলে মনে করা হয় তাই বাড়িতে বাস্তু ঠিক রাখতে পায়রা পোষা খুব ভালো।

Leave a Comment