প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এবার নিয়মিত স্কুলে দেরি করে আশায় শাস্তির মুখে পড়তে হল প্রধান শিক্ষককে (Principle Punishment Video)। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার (Nadia) সরকারি এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযোগ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ছুটির ১ ঘন্টা আগে তিনি স্কুলে ঢোকেন প্রতিদিন। তাই এবার অভিভাবকদের দেওয়া শাস্তির মুখে পড়লেন প্রধান শিক্ষক। দড়ি দিতে বাঁধা হল তাঁকে। শেষে বাধ্য হয়ে ক্ষমা চাইলেন তিনি।
খুটিতে বেঁধে রাখা হল প্রধান শিক্ষককে
নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত না থাকলে শাস্তি পেতে হয় ছাত্র-ছাত্রীদের। নিয়ম সবার ক্ষেত্রেই এক। তাই এবার সেই একই অপরাধের শাস্তি থেকে বাদ গেল না প্রধান শিক্ষক। অভিযোগ নিত্যদিন স্কুলে প্রধান শিক্ষক দেরিতে আসায় ডকে উঠেছে লেখাপড়া। এবার এই অভিযোগ করে ওই শিক্ষককে স্কুলের কাছে একটি খুঁটিতে বেঁধে রেখে শাস্তি দিলেন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নদিয়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠে অভিযোগ।
ভাইরাল ভিডিও
জানা গিয়েছে, প্রতিদিন যেখানে স্কুল সকাল ১০টায় ছুটি হয়ে যায়, সেখানে নাকি ওই প্রধান শিক্ষক স্কুলে পৌঁছাতেন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। অনেকবার এই নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিল, কিন্তু খননকাজ দেয়নি। তাই এবার ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা করা পদক্ষেপ নিল। ভাইরাল ভিডিও মোতাবেক, প্রধান শিক্ষককে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল এলাকা জুড়ে। অভিভাবকদের অভিযোগ, এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও এই প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘মিড-ডে মিল’-এর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল।
Look at this chhapri. He is the ‘headmaster’ of a primary school in Nadia, West Bengal.
He allegedly used to arrive at the school around 9:30 a.m., even though the school closed at 10:00 a.m.
Guardians of the students caught him, tied him to a pole, and demanded action against… pic.twitter.com/KQ8KBbprEb
— Facts (@BefittingFacts) June 13, 2026
আরও পড়ুন: WBCS পরীক্ষার দিনে মেট্রো সূচিতে বড় বদল, মিলবে অতিরিক্ত পরিষেবা
পড়ুয়াদের নিম্নমানের খাবার বিতরণ করে অর্ধেক টাকা তিনি কারচুপি করতেন বলে শোনা গিয়েছিল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হলেও সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে স্কুলে দেরি করে আশায়, পড়াশোনার পরিবেশের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছিল। তাই এবার শাস্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছিল অভিভাবকরা। এই ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।