সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে কাজের চাপ বাড়ছে মানুষের। এহেন অবস্থায় সকলেই কমবেশি চান দু’দিনের জন্য শহরের কোলাহল থেকে দূরে, মেঘ, পাহাড় আর সবুজের মাঝে ছুটে চলে যেতে। সেক্ষেত্রে অনেকেই ভাবেন হয় দার্জিলিং নয়তো সিকিমের কথা। তবে আর সেই এক জায়গায় নয়, আজ আপনাদের এমন এক ডেস্টিনেশন সম্পর্কে খোঁজ দেব যা এখনও অবধি তেমন প্রচার পায়নি। ফলে সেখানে ঠাসা ভিড়ও পাবেন না। শুধু থাকবে অপার শান্তি, ঠান্ডা আর বৃষ্টি। আজ কথা হচ্ছে ‘জোরখোলা’ (Jorekhola) নিয়ে।
ঘুরে আসুন পাইন জঙ্গলে ঘেরা ‘জোরখোলা’ থেকে
জোরখোলা…দার্জিলিং থেকে প্রায় ১১ কিমি দূরে অবস্থিত ছোট এবং সুন্দর জনপদ। সকালের কুয়াশা, পাহাড় আর প্রকৃতির নীরবতা আপনাকে দেবে এক অন্যরকম শান্তির অনুভূতি। অফবিট ট্রাভেল প্রেমীদের জন্য একদম আদর্শ গন্তব্যস্থল হবে এটি। এখানে এলে কাজের স্ট্রেস কাকে বলে তা ভুলে যাবেন নিমিষে। প্রকৃতির সাথে একটু নির্জন সময় কাটানোর ঠিকানা হবে এই জোরখোলা। সবথেকে বড় কথা, এখানে এলে মনে হবে কোনও হরর মুভি সেতে চলে এসেছেন। সারি সারি পাইন ফরেস্ট, কুয়াশা, মেঘ মাঝখানে দুই একটা কটেজ।
আরও পড়ুনঃ তৈরি থাকুন, দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় ধেয়ে আসছে ভারী দুর্যোগ, আজকের আবহাওয়া
একদম ভূতের সিনেমার ফিল দেবে আপনাকে এই জোরখোলা। উত্তরবঙ্গের একদম লুকনো রত্ন হল এই জায়গাটি। বন্ধু, ফ্যামিলের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য কিংবা হানিমুনের জন্য এই জায়গা একদম আদর্শ। পাইন ফরেস্ট আর বৃষ্টি-কুয়াশার কম্বো মারাত্মক। এটা যারা এক্সপেরিয়েন্স করেছেন তাঁরাই শুধুমাত্র জানবেন।
কীভাবে যাবেন?
নিশ্চয়ই ভাবছেন এরকম ভয়ঙ্কর সুন্দর জায়গায় কীভাবে পৌঁছাবেন? তাহলে সেক্ষেত্রে আগে আপনাকে এনজেপি কিংবা শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী শেয়ার গাড়িতে বা প্রাইভেট গাড়িতে করে জোরখোলায় নামতে পারবেন। আপনাদের নামতে হবে সোনাদা পেরিয়ে হিলকার্ট রোডের ওপর দিব্য জ্যোতি অ্যাকাডেমির সামনে। এখানে নেমে আপনার আগে থেকে ঠিক করে রাখা কটেজে ফোন করলে তাঁরা আপনাকে ক্যাম্প সাইটে নিয়ে যাবে।