আন্দোলন জেতার পর বিয়ের প্রস্তাবের বন্যা, কবে সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন অভিজিৎ দীপকে?

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে অভিজিৎ দীপকের (Abhijeet Dipke) নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ আপাতত শেষ। তাদের দাবি মেনে নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলন চলাকালীন দেশের হাজার হাজার যুবক যুবতী অংশগ্রহণ করে। এমনকি শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর তারা তাদের আন্দোলনকে বিজয় হিসেবে ঘোষণা করে। আর এই আন্দোলনের সবথেকে বড় কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে সিজেপির প্রধান অভিজিৎ দীপকেকেই। তবে বিক্ষোভের পর নাকি অভিজিতের জন্য বিয়ের প্রস্তাবের বন্যা বইছে। এমনটাই জানাচ্ছেন তাঁর মা।

আসছে একাধিক বিয়ের প্রস্তাব

এদিন এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিজিৎ দীপকের মা জানান, “আন্দোলনে সাফল্যের পর থেকেই অভিজিৎ বিয়ের প্রস্তাবের জন্য অসংখ্য ফোন পাচ্ছে। আগেও প্রস্তাব ছিল। কিন্তু এখন সংখ্যাটা আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু বিয়েটা যখন হবে তখনই ঠিক করা হবে। এখন আপাতত এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। আগে ও ঝামেলা থেকে একটু মুক্তি পাক।”

এমনকি অভিজিতের মা কেমন পুত্রবধূ চান তা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, “আমি একজন সাধারণ পুত্রবধূ চেয়েছিলাম। কিন্তু অভিজিৎ এখন যে অবস্থানে পৌঁছেছে তাতে তাঁর জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর উপরেই। আমরা শুধুমাত্র তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করব। এখন তো আর আগের জেনারেশনের মতো নয়, যে বাবা-মা মেয়ে খুঁজে দেবে। আজকালকার ছেলেমেয়েদের মানসিকতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।” যদিও অভিজিৎ দীপকে এই আন্দোলনে সাফল্যের পর সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করবেন কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কিন্তু এ বিষয়ে অভিজিতের মায়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, “অভিজিৎ যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তাতে তাঁর পরিবার সবসময়ই পাশে থাকবে।”

আরও পড়ুন: ‘বেরোতে পারছি না, আইনি পদক্ষেপ নেব!’ FIR কাণ্ডে পাল্টা হুঁশিয়ারি শ্রীলেখা মিত্রর

তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ করে রাখি, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাতারাতি ককরোচ জনতা পার্টি নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দল খুলে নেন অভিজিৎ দীপকে। তবে নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে এই দলের হয়েই আন্দোলনে নামেন তিনি। এমনকি অনশনে বসেন সোনম ওয়াংচুক। তাদের একটাই দাবি ছিল, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে সংস্কার। অবশেষে কেন্দ্র সরকার সেই দাবি মান্যতা দিয়েছে, এবং শিক্ষামন্ত্রী নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছেন। এরপরই তারা আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা করেন।

Leave a Comment