বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কিছুদিন আগেই মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের (Mohammedan SC) দায়িত্ব নিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টি প্রতিষ্ঠাতা তও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীর (Humayun Kabir)। এবার শহরের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাবটিতে তাঁরই দেড় কোটি টাকার চেক বাউন্স করল। তাতে ধুঁকতে থাকা ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিকে সাহায্য করতে গিয়ে নিজেই বিপাকে পড়লেন হুমায়ূন। বিপদ বাড়ল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবেরও!
সাহায্য করতে গিয়ে নিজেই সমস্যায় পড়ে গেলেন হুমায়ূন!
কঠিন সময়ে ডুবতে থাকা ঐতিহ্যবাহী দলটিকে সাহায্য করতে ছুটে এসেছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ূন। ক্লাবটির উন্নয়নের স্বার্থে একাই দেড় কোটি টাকার আর্থিক সাহায্য দেবেন বলেই জানিয়ে দেন হুমায়ূন। সেই মতোই, গত 17 জুলাই, 20 জুলাই এবং 30 জুলাই তিন ধাপে তিনটি চেক দেন হুমায়ূন। মহামেডান ক্লাবের নতুন প্রেসিডেন্ট হুমায়ূন 50 লাখ টাকা করে তিনবারে তিনটি আলাদা আলাদা চেক দিলেও প্রতিটি চেকই বাউন্স হয়ে গিয়েছে বলেই খবর।
জানা যাচ্ছে, নতুন প্রেসিডেন্টের চেক বাউন্স করে যাওয়ায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্দুল কাদিরির বকেয়া মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিল মহামেডান স্পোর্টিং। শুধু তাই নয়, টাকা না থাকায় নতুন প্লেয়ারদের কিনতেও পারছিল না এই দলটি। শেষ পর্যন্ত ক্লাবের কর্তারা নিজস্ব উদ্যোগে অর্থ খরচ করে সমস্যা মিটিয়ে নিয়েছেন। তাতে ফিফার নির্বাসনের মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছে শহরের এই ঐতিহ্যবাহী দলটি।
অবশ্যই পড়ুন: সৌদি আরবের সাথে জোট বাঁধছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান!
এ প্রসঙ্গে অবশ্য মুখ খুলেছেন ক্লাবটির নতুন প্রেসিডেন্ট হুমায়ূন কবীর। তাঁকে চেক বাউন্স নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, “আমি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট। ফলে চেক হোল্ডারও আমিই। কেউ নিজের সাথে কীভাবে প্রতারণা করতে পারে? আমি চাইলে শেষ 3-4 দিনেও ক্লিয়ার করতে পারি। ট্রান্সফার ব্যান্ড নিয়েই আসল সমস্যা। কটা দিন এদিক-ওদিক হতেই পারে। আমাদের ক্লাবের সচিব ফিফার কাছে একটু অতিরিক্ত সময় চেয়ে নিয়েছেন। আমি প্রেসিডেন্ট। আমি যেটা বলবো সেটাই হবে। কেউ আমার কাছে না শুনে কেন চেক জমা করতে গিয়েছে? কয়েকদিনের মধ্যেই সমস্যা মিটে যাবে। আমি কোনও দুর্নীতি করিনি বলে রাখছি।”