অলিম্পিকে শুধু অংশগ্রহণ করলেই টাকা দেবে রাজ্য সরকার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির ডবল ইঞ্জিন সরকার (Government Of West Bengal)। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেছেন বাংলায় 294টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রত্যেকটিতেই মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে। এর পাশাপাশি রাজ্য থেকে যাতে কৃতি ছেলেমেয়েরা অলিম্পিকের (Olympics) জন্য প্রস্তুতি শুরু করে তাঁরা যাতে অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারে সেজন্য সব রকম সাহায্য করবে সরকার। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন শুধুমাত্র অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করলেই আর্থিক সাহায্য দেবে রাজ্য।

অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেই মিলবে অর্থ

শনিবার, হকির জাদুকর মেজর ধ্যানচাঁদের জন্মবার্ষিকীতে নবান্নে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠানের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে থেকে শুরু করে ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, প্রাক্তন হকি খেলোয়াড়রা। আর তাঁদের উপস্থিতিতেই সাংবাদিকদের ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী খুব পরিষ্কারভাবে জানালেন, অন্যান্য রাজ্যের সরকার রাজ্যের ছেলেমেয়েদের কমনওয়েলথ, এশিয়াড, অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হলে আর্থিক পুরস্কার দেয়। তবে রাজ্য সরকার অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করলেই অর্থ দেবে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, “অনেক সরকার ঘোষণা করেছে যে অলিম্পিকে পুরস্কার পেলে এত দেবে, কমনওয়েলথে জিতলে এত দেবে, এশিয়াডে এত, আমাকেও ডক্টর ইন্দ্রনীল খাঁ বলছিল আমরাও কিছু ঘোষণা করি। আমি বললাম ঘোষণা যদি করো যাঁরা যাবে তাঁদেরকেই দাও। আগে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অংশগ্রহণকারী বাড়াও এবং অংশগ্রহণ করার জন্য অর্থ দাও। পরিমাণ কম হতে পারে, পুরস্কার পেতে তো তিন বছর লাগবে কারণ যে অবস্থা যে গাড্ডা তৈরি হয়েছে.. সেই গর্তগুলো মেরামত করতে গেলে আগে আমাদের… যাঁরা যাবে, যাঁরা যোগ্যতা অর্জন করবে তাঁদের সঙ্গে আমরা আছি।”

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জেলবন্দি চিন্ময় প্রভুদের এবার বাঁচাবে ভারত!

এক কথায় বলতে গেলে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধুমাত্র অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলেই আর্থিক সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। সেই সাথে ভবিষ্যতে যাতে ক্রীড়াবিদরা রাজ্য তথা দেশের মুখোজ্জল করতে পারে সেজন্য যাবতীয় সাহায্যও আগামীতে করা হবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও প্রশ্ন উঠছে, বিগত 15 বছরে রাজ্যের ক্রীড়া ক্ষেত্রে যা অবস্থা হয়েছে তাতে নতুন করে বাংলা থেকে অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী তৈরি করা যাবে তো? এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আদৌ আছে রাজ্য?

Leave a Comment