প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সমস্যার সমাধান হবে আরও সহজে, কারণ সরাসরি এখন অভিযোগ জানাতে পারবেন বিধায়কের কাছে, তাও আবার ঘরে বসেই। এমনই এক বড় পদক্ষেপ নিলেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক তথা আইনজীবি তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari)। শনিবার, কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে স্থানীয় এলাকাবাসীর কথা মাথায় রেখে একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু (Tarunjyoti Tewari website launch) করলেন তিনি।
চালু করলেন নিজস্ব ওয়েবসাইট
আজ কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সুবাদে নিজের এলাকার মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ আরও বৃদ্ধি করতে বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি লঞ্চ করলেন তাঁর নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট। জানা গিয়েছে, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এলাকাবাসী নিজেদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। পাশাপাশি এলাকার কাজকর্ম সম্পর্কিত সমস্ত আপডেট দেওয়া থাকবে এই ওয়েবসাইটে। এছাড়াও স্থানীয়দের আইনি বা প্রশাসনিক বিষয়েও যোগাযোগের সুবিধা দেওয়া হবে।
রাজারহাট গোপালপুর মানুষদের সুবিধার জন্য একটা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার উদ্বোধন হলো আজ.
পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়ের নির্দেশে বিধায়ক কার্যালয়ে কে মানুষের আরব কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটা চেষ্টা.@SuvenduWB@BJP4Bengal pic.twitter.com/FFxv6doJDy
— Tarunjyoti Tewari (@tjt4002) September 12, 2026
কী বলছেন বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি?
নিজস্ব ওয়েবসাইট উদ্বোধনের সময় তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। কিন্তু এমন অনেক মানুষ আছেন যারা সরাসরি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সেবা কেন্দ্রে এসে যোগাযোগ করতে পারেন না। যার ফলে তাঁরা জানাতে পারেন না নিজেদের অভাব-অভিযোগ। তাই সেই অসুবিধা দূর করতে এবার রাজারহাট-গোপালপুরবাসীর জন্য একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। যেখানে সবাই নির্দ্বিধায় নিজেদের অভাব অভিযোগ জানাতে পারবেন।“
আরও পড়ুন: “চিন্ময় প্রভুর চোখের জল পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয় নাড়িয়ে দিয়েছে” আবেগঘন মন্তব্য শুভেন্দুর
জানা গিয়েছে, রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়কের চালু করা ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অভিযোগ জানানোর জন্য প্রথমে নিজেদের মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। সেখানে তিনটি অফিসের মধ্যে যে কোনও একটিতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এরপর নির্ধারিত দিনে বিধায়কের কাছে নিজের সমস্যা জানাতে পারবেন এলাকাবাসী। এইরূপ পদক্ষেপে বেশ খুশি স্থানীয়রা। এমনকি এই অভিনব উদ্যোগের প্রশংসা করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, “আপনাদের নিয়ে বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির যে স্বপ্ন রয়েছে, তিনি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সব পূরণ করবেন। আর তাঁকে সাহায্য করবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।“