বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াই অব্যাহত কালীঘাট এবং নব্য তৃনমূলের (Trinamool Congress) । এরই মাঝে বড় চমক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল। রবিবার সন্ধ্যায়, কালীঘাট তৃণমূলের (Kalighat Trinamool) তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হল আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়তে চলেছেন দুই অনতিজনপ্রিয় মুখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল জানিয়েছে, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়তে চলেছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। অন্যদিকে রেজিনগর কেন্দ্র থেকে উপ নির্বাচনে লড়াই করবেন রবিউল আলম চৌধুরী।
জল্পনায় জল ঢাললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর দু ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। একদল রয়েছে কালীঘাট তৃণমূলে, আরেক দল যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির তথা নব্য তৃণমূলে। ঋতব্রত পন্থীদের অবশ্য দাবি, তাঁরাই আসল তৃণমূল। কে আসল আর কে নকল তা নিয়েই বর্তমানে চলছে আইনি দড়ি টানাটানি। এরই মাঝে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে চমকে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জল্পনা বেড়েছিল, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনের প্রার্থী হতে পারেন খোদ মমতা। বিরোধীরাও খানিকটা ঠাট্টার ছলে বলেই দিয়েছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বারবার শুভেন্দু অধিকারীর বিপরীতে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে হেরেছেন! তাই উনি এবার নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হতে পারেন!” ঋত শিবিরও বলেছিল, নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হলে তাঁরা সেই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। তবে নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়লেও সেই জল্পনায় জল ঢাললেন খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বন্ধুর জমি দখল বিজেপি বিধায়কের, CBI তদন্ত চেয়ে মোদির দ্বারস্থ প্রবীণ আসগর
এদিন, কালীঘাট তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে জানিয়ে দেওয়া হল, “আমাদের শ্রদ্ধেয় চেয়ারপার্সন শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত।” ওই পোষ্টের নিচেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে যথাক্রমে সঞ্চিতা প্রধান (দে) ও রবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করে তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছে তৃণমূল।