বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের 81 তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে আমেরিকায় (America) গিয়ে চরম অপমানিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Pakistan PM)! ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে পা রাখতেই লজ্জায় পড়ে যান পশ্চিমের দেশের প্রধান! এদিন আমেরিকার বিমানবন্দর থেকে তাঁকে স্বাগত জানাতে দেখা যায়নি কোনও উচ্চপদমর্যাদার মার্কিন কর্মকর্তাকে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে নিউ ইয়র্কের রাস্তায় ‘চোর এসেছে চোর এসেছে’ স্লোগান দিতে থাকেন কয়েকজন। পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লাগানো হয় পোস্টারও! এই দৃশ্য এখন নেট দুনিয়ার হট টপিক।
আমেরিকায় চরম অপমানিত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী?
এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খজা আসিফ বলেছিলেন, আমেরিকা পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের মতো ব্যবহার করে, তারপর ফেলে দেয়। ট্রাম্পের দেশে পশ্চিমের দেশের প্রধানমন্ত্রী অপমানিত হতেই সেই স্মৃতিই ফিরে এলো। আসলে এদিন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ! পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকরা নিউ ইয়র্কের রাস্তায় শেহবাজ বিরোধী নানান স্লোগান দিতে থাকেন। লাগানো হয় একের পর এক পোস্টার।
PTI সমর্থকরা নিউ ইয়র্কের পেন স্টেশনের বাইরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি, চোরদের সরকারকে গ্রহণ করা যাবে না। অভিযোগ, এই সরকার জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। এমন দাবি তুলেই পাকিস্তানের বর্তমান সরকারকে ফর্ম 47 সরকার বলছেন তাঁরা। ইমরান খানের সমর্থকদের তরফে যেসব পোস্টার দেখানো হয়েছিল তাতে ছিল দামি বিমানের কিছু ছবিও।
امریکہ نیویارک میں رہائش پزیر پی ٹی آئی کے سپورٹرز نے وزیر اعظم شہباز شریف کی شان میں گستاخیاں شروع
وزیر اعظم پاکستان کے UN جنرل اسمبلی پہنچنے سے پہلے مختلف راستوں پر پی ٹی آئی ورکرز و لیڈرز نے “شہباز شریف مخالف” نعروں سے مزین پورٹریٹس آویزاں کر دیے pic.twitter.com/I3Nq55602w
— Israr Ahmed Rajpoot (@ia_rajpoot) September 21, 2026
আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমসে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের! বন্দুক চালিয়েও জুটল না পদক, খালি হাতে ফিরলেন মনু ভাকের
বলাই বাহুল্য, চলতি বছরের শুরুর দিকে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফের জন্য 12 বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করে কেনা হয়েছিল একটি বিলাসবহুল বিমান। বিরোধীদের বক্তব্য, পাকিস্তানের বিমান সংস্থা PIA তাদের বিমানের জন্য 10 বিলিয়ন রুপির দরপত্র জমা দিয়েছিল। এদিকে পাকিস্তানের শাসক দল সাধারণ মানুষের অর্থ ব্যবহার করে 12 বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপিতে ব্যক্তিগত জেট কিনেছে। এমন সব অভিযোগকে সামনে রেখেই শরীফকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন PTI সমর্থকরা! এক কথায় বলাই যায়, আমেরিকায় গিয়ে PTI সমর্থকদের বিক্ষোভে চরম অপমানিত পশ্চিমের দেশের শাসক।