=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

রাষ্ট্রসংঘে ভারত বিরোধী বক্তৃতা তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, বৈঠক ছাড়ল ইজরায়েলের প্রতিনিধিরা

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাষ্ট্রপুঞ্জের (United Nations) মঞ্চে দাঁড়িয়ে ফের কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন পাকিস্তানের বন্ধু দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ এরদোয়ান। রাষ্ট্রপুঞ্জের 81 তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে নিজের পুরনো মন্তব্য ব্যক্ত করার পাশাপাশি ভারত বিরোধী সুরও শোনা গিয়েছে তুর্কির প্রেসিডেন্টের গলায়। নানা দিক থেকে ঘুরিয়ে নয়া দিল্লিকে নিশানা করেছেন তিনি। এমতাবস্থায়, তাঁর বক্তব্যের মাঝেই হঠাৎ রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠক ছাড়তে দেখা গেল ইজরায়েলি (Israel) ডেলিগেশনকে।

এরদোয়ানের ভাষণ চলাকালীন অধিবেশন ত্যাগ ইজরায়েলের প্রতিনিধিদের

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খোলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় কাশ্মীর সমস্যার মতো একাধিক বিরোধ নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদ এবং প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনা কাঠামোর মাধ্যমে আলোচনা করে সমাধান করা প্রয়োজন।” এই প্রথম নয়, এর আগেও রাষ্ট্রপুঞ্জ সহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

এর আগে গত বছর রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশন চলাকালীন কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা হোক সেই আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। কার্যত ভারতের বিরুদ্ধে সুর তুলে এরদোয়ান বলেছিলেন, “কাশ্মীরের ভাই-বোনেদের কথা মাথায় রেখে রাষ্ট্রপুঞ্জের সমস্ত প্রস্তাবনা মেনে আলোচনার মধ্যে দিয়ে সমস্যার সমাধান করা উচিত।” এবারেও পুরনো অবস্থান বজায় রাখলেন তিনি। এদিন নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঘুরিয়ে নাম না করে ভারতকেও নিশানা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

 

আরও পড়ুন: “আমাদের দেশে এলেই বুঝতে পারবে ওকে কী করি” ১৫ বছরের বৈভবকে হুমকি নিউজিল্যান্ডের কোচের

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট খানিকটা ভারত বিরোধী ভাষণ দিচ্ছেন ঠিক সেই সময় হঠাৎ করেই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেল ইজরায়েলের প্রতিনিধি দল। ওই ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, নিজেদের বেঞ্চ ছেড়ে একে একে বেরিয়ে যাচ্ছেন ইজরায়েলের প্রতিনিধিরা। আর এমন ঘটনার নেপথ্যে ইজরায়েল এবং ভারতের সুসম্পর্ককে এগিয়ে রাখছেন অনেকেই। কয়েকজন কূটনীতিবিদের দাবি, ভারত এবং ইজরায়েলের বন্ধুত্ব বহু আগের। তাই বোধহয় তুর্কি প্রেসিডেন্টের কার্যত ভারত বিরোধী মন্তব্য তথা কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে করা ভাষণ শুনতে চান না ইজরায়েলের প্রতিনিধিরা! তাই তাঁরা সভাকক্ষ ত্যাগ করেছিলেন! এ নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেনি ভারত।

Leave a Comment