=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ, বাংলাদেশে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা মাদ্রাসা পড়ুয়াদের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের সংখ্যালঘু হত্যা বাংলাদেশে (Bangladesh)। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পার্থ বিশ্বাস নামের এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় মুসলিম এবং মাদ্রাসার কিছু শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই যুবকের মৃত্যু হয় বলেই খবর। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ফের উঠছে প্রশ্ন।

বাংলাদেশে ফের সংখ্যালঘু হত্যা

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে বিশেষ করে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে দিনের পর দিন সংখ্যালঘু অর্থাৎ হিন্দুরা অত্যাচারিত হচ্ছে। দিন কয়েক আগেই ওপার বাংলায় এক হিন্দু শিক্ষক পরিবারের চারজন সদস্যকে হত্যা করা হয়। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে হত্যা করা হল পার্থ বিশ্বাসকে। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ এবং মাদ্রাসার ছাত্রদের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি নাকি ইসলাম ধর্মের প্রতি কটুক্তি করেছিলেন।

সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন একদল ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে রাস্তায় ফেলে নির্মমভাবে মারধর করে বলে খবর। গুরুতর আহত অবস্থায় পার্থ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি হামলার প্রকৃত কারণ কী বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হল, সে বিষয়েও তথ্য জানার জন্য তদন্ত চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: “স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন…” নিউটাউনে হাসপাতালের শিলান্যাসে বড় ঘোষণা আদানির

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই পদ্মাপাড়ের দেশটিতে বন্ধ ঘরের ভেতর থেকে অবসরপ্রাপ্ত ওই হিন্দু শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে এবং ১২ বছরের ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘটে রংপুর শহরে। তবে সেই ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত ছিল তাও এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি। এমনকি তার পরপরই জনৈক এক সংবাদমাধ্যমের অফিস থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় হিন্দু সাংবাদিকের দেহ। একের পর এক সংখ্যালঘু নির্যাতনের এই ঘটনা দেশটির আইনশৃঙ্খলাকে যে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে তা বলার অপেক্ষায় রাখে না।

Leave a Comment