=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

পশ্চিম মেদিনীপুরে উদ্ধার সাদা সাপ, চোখ কপালে বিশেষজ্ঞদের

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বালতি সরাতেই চোখ কপালে! আস্ত সাদা রঙের একটা সাপ। গ্রাম বাংলায় সর্প দর্শন নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু সাদা সাপ (White Snake)? সম্প্রতি এমনই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুরের রতনহাটি গ্রামে (Ratanhati Village), এক গৃহস্থ বাড়িতে। রোজকার মতোই সকালে জরুরি কাজের জন্য মেঝে থেকে বালতি তোলার পরেই চোখে পড়ে সাদা সাপ। এটি একটি সাদা কালাচ।

সাদা সাপ উদ্ধার

কালাচ সাধারণত কালো কিংবা নীলচে রঙের হয়ে থাকে। কিন্তু এই কালাচ ধপধপে সাদা। কারো মতে এটি আসলে শ্বেত নাগ। যদিও বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম অন্য। ফোনে খবর পেয়ে সাপটিকে উদ্ধার করতে পৌঁছান সর্প বিশেষজ্ঞ মলয় ঘোষ। তাঁর মতে, সাপটি একটি বিশেষ রোগে আক্রান্ত, সে জন্য গায়ের রঙ সাদা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই ধরণের সাপ দেখলেন প্রথমবার। তবে বিশেষজ্ঞদের কাছে সাপের এই রূপ নতুন নয়, কিংবা বিরল কোনো ঘটনাও নয়। সাপের ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।

কী বলছেন সর্প বিশেষজ্ঞ?

মেদিনীপুরের সর্প বিশেষজ্ঞ দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, “এই ধরনের সাপ পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর দেখা যায়।” প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, উদ্ধার হওয়া এই কালাচ সাপটি, কিন্তু মতভেদ রয়েছে। কারণ সাপের চোখের মণির রং। কিছু ক্ষেত্রে দাবি করা হচ্ছে এটি আসলে লিউসিস্টিক কালাচ। ত্বকে থাকা মেলানিন নামের একটি উপদান কমে যাওয়ার ফলে এই রোগটি দেখা যায়, ত্বকের রং হয়ে যায় সাদা। এই সাপটির ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই।

আরও পড়ুনঃ ছোটাছুটির দিন শেষ, আয়ুষ্মান ভারত ও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমার নয়া নিয়ম সরকারের

সাপের গায়ের রং যাইহোক না কেন, কালাচ মাত্রই বিষধর। কালাচ মানুষের বসবাসের জায়গায় বেশি ঘোরাফেরা করে। কালাচ মূলত পাওয়া যায় বাংলাদেশ ও ভারতের চাষের জমি কিংবা পরিত্যক্ত জায়গায়, যেখানে মানুষের গতিবিধি কম। তবে খাবারের সন্ধানে এরা মানুষের বাড়ির আশেপাশে প্রায়শই ঘোরাফেরা করে।

Leave a Comment