=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

উপকৃত হবে পড়ুয়ারা, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা শিক্ষা দফতরের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে এবার বড়সড় রদবদল। পড়ুয়াদের শিক্ষাগত দক্ষতা অর্জনের দিকে এবার বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই সূত্রে রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (Primary School) জন্য একটি নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে শিক্ষা দফতর। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশনের তরফ থেকে প্রতিটি স্কুলে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে শুধুমাত্র শিক্ষাগত দক্ষতা অর্জন নয়, বরং পড়ুয়াদের সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা

শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক স্তরে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে এবার পড়ুয়াদের শেখার জন্য রঙিন পোস্টার টাঙানো বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র বইয়ের পড়া নয়, বরং পড়ুয়ারা হাতে-কলমে কতটা শিখতে পারে বা অংক কষতে পারে, এমনকি বই দেখে কতটা পড়তে পারে, তার ওপর বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। শিক্ষা মিশনের তরফ থেকে এই বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের প্রতিটি প্রাথমিক স্কুলে পাঠানো হয়েছে বলেই খবর।

এছাড়াও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অভিভাবকদের জন্য বিদ্যালয়ের প্রবেশপথ অথবা নোটিশ বোর্ডে আলাদা পোস্টার টাঙাতে হবে। অভিভাবকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও পোস্টারের ওই প্রতিলিপি পাঠানো বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে। তবে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে যে, বিদ্যালয়ের কম্পোজিট গ্রান্ট থেকেই এই পোস্টার ছাপানোর খরচ বহন করা হবে। এমনকি আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই সমস্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে জেলার শিক্ষা আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: মিলন প্রধানের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য, আর্জি শুনলেন না প্রধান বিচারপতি

অন্যদিকে, স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। সেক্ষেত্রে রাজ্যের মোট ৯৩৩টি প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে কোনও কোনও স্কুলে গত ২০ বছর ধরেও কোনও ছাত্র ভর্তি হয়নি। তাই ওই স্কুলগুলির জমি, ভবন ও খেলার মাঠের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন একটি কমিটি গঠন করেছেন বলেও খবর।

Leave a Comment