=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৬ বছর ধরে জেলবন্দি, উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদন খারিজ হাইকোর্টের

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব দিল্লির রক্তক্ষয়ী হিংসার নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলায় মূল অভিযুক্ত সমাজকর্মী উমর খালিদ (Umar Khalid) এবং শারজিল ইমামের জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি প্রতিভা এম সিং এবং বিচারপতি দীনেশ ভট্টের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। তবে তাঁদের তৃতীয় জামিনের আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেয় ওই বেঞ্চ।

উমর খালিদের জামিনের আবেদন খারিজ হাইকোর্টের

আদালতের পক্ষ থেকে আজ স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী ৫ জানুয়ারির নির্দেশে কোনও হস্তক্ষেপ করা তাঁদের পক্ষে আপাতত সম্ভব নয়। শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে জানিয়েছিল যে, সুরক্ষিত সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বা নির্দেশের তারিখ থেকে এক বছর পূর্ণ হলে, তবেই অভিযুক্তরা জামিনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। গত ৪ জুলাই ট্রায়াল কোর্ট তাদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পর তাঁরা দিল্লির উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের অভিযোগ, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলেন উমর এবং শারজিল। ওই ঘটনায় মোট ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৭০০ জনেরও বেশি গুরুতর আহত হন। সেই ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পাশাপাশি এই মামলায় সমাজকর্মী খালিদ সাইফি এবং প্রাক্তন আম আদমি পার্টি কাউন্সিলর তাহির হুসেনের নাম অভিযুক্ত হিসেবে জড়িত রয়েছে।

আরও পড়ুন: উপকৃত হবে পড়ুয়ারা, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা শিক্ষা দফতরের

উল্লেখ করার বিষয়, ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট শারজিল ইমামকে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর উমর খালিদকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরেই তাঁরা কারাবন্দি রয়েছেন। তবে দেশের সাধারণ নাগরিক এবং মানবাধিকার কর্মীদের একাংশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে তাঁদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার দাবি জানালেও শুনানির সময় দিল্লি পুলিশ তাঁদের জামিনের বিরোধিতা করে। জামিন না মেলায় আপাতত শ্রীঘরেই দিন কাটাতে হবে ওই দুই ছাত্র নেতাকে।

Leave a Comment