=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

গাধার নামে ইস্যু হল নার্সিং সার্টিফিকেট! অনলাইন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

অনন্যা সরকার, মধ্যপ্রদেশ: ছবি, বাবা-মায়ের নাম সহ সব তথ্য রয়েছে, তাই ইস্যু হয়ে গেল একটি গাধার নার্সিং সার্টিফিকেট (Nursing Certificate)। সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের অনলাইন নার্সিং ব্যবস্থাকে ঘিরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে এসেছে। আবেদনপত্রটিতে একটি গাধার ছবিসহ যাবতীয় বিবরণ আপলোড করা হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই ছিল ভুয়ো। তা সত্ত্বেও, সেই রাজ্যের পোর্টালটি আবেদন বাতিল তো করেনিই, বরং কয়েক মিনিটের মধ্যেই সার্টিফিকেটটি ইস্যুও করে দেয়। এই ঘটনাটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে। 

গাধার নামে বেরোলো নার্সিং সার্টিফিকেট 

এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশ নার্স রেজিস্ট্রেশন কাউন্সিল (MPNRC)-এর অনলাইন সিস্টেম। ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (NSUI)-এর রাজ্য সহ-সভাপতি রবি পারমার সিস্টেমটি পরীক্ষা করার জন্য একটি পরীক্ষামূলক আবেদন জমা দেন। নার্সিং রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীদের তথ্য ও নথি কীভাবে যাচাই করা হয়, তা খুঁজে বের করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্যে, তিনি অনলাইন ফর্মে একটি গাধার ছবি যুক্ত করেন এবং নামের জায়গায় “গাধা” লেখেন।

আশ্চর্যজনকভাবে, এত ভুল তথ্য দেওয়া সত্ত্বেও এই আবেদন সিস্টেম গ্রহণ করে নেয়। রবি পারমার দাবি করেছেন যে, অনলাইনে ২,০৫০ টাকা ফি জমা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই নার্সিং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটটি ইস্যু করা হয়। এই ঘটনাটি অনলাইন পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ও নথি যাচাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

আরও পড়ুন: ১২০০ কোটি বরাদ্দ, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে সুখবর শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী

রবি পারমার তার পরীক্ষামূলক আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম ‘ডঙ্কি’ হিসেবে লিখেছিলেন। ছবির জায়গায় একটি গাধার ছবি ব্যবহার করেন এবং বাবার নামের জায়গায় ‘ডঙ্কি ফাদার’, মায়ের নামের ঘরে লেখেন ‘ডঙ্কি মাদার’ এবং জাতির জায়গায় লেখা ছিল ‘অ্যানিমেল’। এছাড়াও, আবেদনপত্রে সম্পূর্ণ ভুল ঠিকানাও দেওয়া হয়।

এছাড়াও, আবেদনপত্রটিতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জায়গায় ভোপাল নার্সিং কলেজ ও ভোপাল মেমোরিয়াল হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (BMHRC)-এর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির নম্বর ও রোল নম্বরও ইচ্ছেমতো লেখা হয়। তা সত্ত্বেও পোর্টালটি ভুলে ভরা আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেনি। ফি জমা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সার্টিফিকেটটি ইস্যু হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণার টাকা ঢুকতেই মসজিদের মাইকে উৎসবের ডাক, আউসগ্রামে আনন্দে মাতলেন মুসলিম মহিলারা

রবি পারমার জানান, যদি সরকারি পোর্টালে তাঁর পরীক্ষামূলক আবেদনটি এই ভাবে সার্টিফিকেট হিসেবে বেরিয়ে আসে, তবে এটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়। এটি নার্সিং রেজিস্ট্রেশন, নথিপত্র যাচাই এবং রোগীর সুরক্ষার নির্ভরযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে। যদি এমন মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে সার্টিফিকেট ইস্যু হয়ে যায়, তাহলে প্রকৃত আবেদনকারীদের নথি কীভাবে যাচাই করা হচ্ছে – তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এনএসইউআই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্ত করার এবং তদন্তের রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করা করার দাবি জানিয়েছে।

Leave a Comment