=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব, কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অংশ নিতে পারল না বাংলার স্কুলগুলি

অনন্যা সরকার, কলকাতা: ‘স্বচ্ছ এবং হরিত বিদ্যালয়’ স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্র নাম চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্যের কাছে। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাবে রাজ্যের বহু স্কুল (West Bengal School) কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অংশই নিতে পারলো না। একদিকে শহরের স্কুলগুলোতে গাছ লাগানোর জায়গা নেই, জল সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। আবার অন্যদিকে গ্রামের স্কুলগুলোতে সোলার প্যানেল লাগানো হয়নি। ফলে, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বিদ্যালয়গুলি। তাই পাচ্ছে না সরকারী ফান্ডও। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যোগদানের জন্য অনলাইনে নাম পাঠানোর জন্য বুধবার ছিল শেষ দিন। কেন্দ্র যখন নাম চেয়ে পাঠায় তখন দেখা যায় পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন সরকার সবেমাত্র চার মাস ক্ষমতায় এসেছে, তাই এত অল্প সময়ে পরিকাঠামো তৈরি করা কঠিন। ফলে, আগামী বছরের জন্য পরিকাঠামোর উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

‘স্বচ্ছ এবং হরিত বিদ্যালয়’ স্বীকৃতি পাবে কোন বিদ্যালয়গুলি?

প্রায় দুই মাস আগে কেন্দ্রীয় সরকার একটি চিঠির মাধ্যমে রাজ্যকে জানায় যে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ‘স্বচ্ছ এবং হরিত বিদ্যালয়’ স্বীকৃতি (SHVR) প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কোনও স্কুলই অংশগ্রহণ করেনি। যদিও, সারা দেশ জুড়ে ১০,৪৭,৮৫৯টি স্কুল এই উদ্যোগে শামিল হয়েছিল। এরপরই বিকাশ ভবন থেকে জেলা পরিদর্শকদের কাছে জরুরি চিঠি পাঠানো হয়। শোনা যাচ্ছে, যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ছয়জন জেলা পরিদর্শককে ‘শো-কজ’ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মানদণ্ডের ভিত্তিতে স্কুলগুলোর মূল্যায়ন করা হবে এবং এতে সর্বোচ্চ ফাইভ-স্টার পর্যন্ত রেটিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

‘স্বচ্ছ এবং হরিত বিদ্যালয়’-এর স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য স্কুলগুলিতে পানীয় জল, হাত ধোয়ার স্টেশন এবং বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের জন্য শৌচাগারের মতো সুবিধা থাকতে হবে। এছাড়াও, স্কুলগুলিকে সোলার প্যানেল, বর্জ্য ও স্যানিটারি ন্যাপকিন নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, বৃষ্টির জল সংগ্রহের ভাণ্ডার, ইকো ক্লাব ও কিচেন গার্ডেন শংসাপত্র এবং  ‘মিশন লাইফ’ প্রকল্প সম্পর্কিত স্ক্রিনশট পোর্টালে আপলোড করতে বলা হয়। কিন্তু শেষের এই মানদণ্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে রাজ্যের স্কুলগুলি। 

আরও পড়ুন: পুজোর ছুটিতে জঙ্গল সাফারিতে যাচ্ছেন? এই জরুরি বিষয়গুলি মাথায় রাখবেন

তাই এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সমস্ত স্কুলের কাছে পানীয় জলের গুণমান সম্পর্কে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। গোটা অক্টোবর মাস জুড়ে জেলা পর্যায়ে স্কুলের মূল্যায়ন চলবে, এরপর রাজ্য-স্তরের মনোনয়নের জন্য সাত দিনের একটি সময়সীমা ঠিক করা হবে। ২০২১-২২ সালে সারাদেশে ৮.২৩ লক্ষ স্কুল অংশগ্রহণ করেছিল, কিন্তু রাজ্যের স্কুলগুলি আগেও অংশগ্রহণ করেনি। তবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চান বাংলার স্কুলগুলি সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অংশগ্রহণ করে শীর্ষস্থানে থাকুক। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে ৯০,০০০ থেকে ৯৪,০০০ সরকার পোষিত স্কুলের মধ্যে অন্তত ৮০,০০০ স্কুলের অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করেছে।

Leave a Comment