=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

মহানায়কের জন্মশতবর্ষ অনুষ্ঠানে বিশেষ ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: মহানায়ক উত্তম কুমারের (Uttam Kumar) জন্মশতবর্ষকে ঘিরে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ফের তাঁকে স্মরণ করল কলকাতা। শনিবার, ৩ অক্টোবর ইজেডসিসি অডিটোরিয়ামে বাণীচক্রের উদ্যোগে আয়োজিত হয় মহানায়কের জন্মশতবর্ষের বিশেষ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উত্তম কুমারের অভিনয়জীবন ও বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী।

মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

মঞ্চে বক্তব্যের শুরুতেই মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মহানায়ক একজনই, তিনি উত্তম কুমার। তাঁর কথায়, উত্তম কুমারের নাম শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত নয়, বাঙালির সাংস্কৃতিক স্মৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে মিশে রয়েছে। উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষের মূল সরকারি উদযাপন শুরু হয়েছিল ৩ সেপ্টেম্বর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার দিনের বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় কলকাতার একাধিক প্রেক্ষাগৃহ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। সরকারি অনুষ্ঠানের সূচনায় টালিগঞ্জে মহানায়কের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী। নতুন প্রজন্মের কাছে উত্তম কুমারের কাজ ও শিল্পীসত্তাকে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অন্যতম বড় উদ্যোগ ছিল নিউ টাউনে মহানায়ক উত্তম কুমারের নামে ফিল্ম সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা। ৪ সেপ্টেম্বর তার ভূমিপুজো ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিকভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানানো হয়েছে। সেখানে একাধিক প্রেক্ষাগৃহ, অডিটোরিয়াম এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত কেন্দ্রের একটি অংশে ৭৫০ আসনের দুটি সিনেমা হল, অন্য অংশে ১,০০০ আসনের অডিটোরিয়াম ও ওপেন-এয়ার থিয়েটার এবং আরও একটি অংশে অ্যানিমেশন, ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, গেমিং, কমিকস, এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটি, পোস্ট-প্রোডাকশন ল্যাব ও স্টুডিও রাখার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে।

অনুষ্ঠানে শিল্পী সংসদের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে চলচ্চিত্র জগতের একাধিক প্রজন্মের শিল্পীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি। মিঠুন চক্রবর্তী, সন্দীপ রায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ যাঁরা বিভিন্নভাবে অনুষ্ঠানের দায়িত্ব সামলেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, গোটা আয়োজনের দায়িত্ব অনেকটাই শিল্পী সংসদের হাতে দেওয়া হয়েছিল। বহু মানুষের অংশগ্রহণ এবং সুন্দরভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। উত্তম কুমারের জন্মদিন ও প্রয়াণদিবসকে ভবিষ্যতে কীভাবে স্মরণ করা হবে, সেই কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, জন্মদিনটি আনন্দ ও সংগীতের আবহে সম্মানের সঙ্গে পালন করা হবে। অন্যদিকে প্রয়াণদিবসে মহানায়কের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: কীর্তির জায়গায় কাকলি, বাদ দোলা সেন! দুই গুরুত্বপূর্ণ পদ হারাল মমতার তৃণমূল

এদিন বাণীচক্রের প্রসঙ্গও আলাদা করে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সংগঠনটির সঙ্গে ভবিষ্যতে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনার কথা জানান তিনি। প্রয়োজন হলে বাণীচক্রের প্রতিনিধিদের সচিবালয়ে ডেকে আলোচনা করা কিংবা অন্যভাবে বৈঠকের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন।

Leave a Comment