বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বর্তমানে শেয়ার বাজারের অবস্থা বেহাল। মাঝে দাম বাড়লেও ফের পতনের মুখোমুখি হয়েছে সোনা। দিন দিন কমেই চলেছে হলুদ ধাতুর মূল্য। এমতাবস্থায়, কোথায় বিনিয়োগ করাটা ঠিক হবে সেটাই বুঝে উঠতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে নিশ্চিন্তে বিনিয়োগ করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চাইলে বেছে নেওয়া যেতে পারে ফিক্সড ডিপোজিট স্কিমটিকে। তবে যে ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি সুদ দেয় সেখানে বিনিয়োগ করা ভাল। আর FD (Fixed Deposit) তে সবচেয়ে বেশি সুদের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে একটি স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (FD High Interest Bank)। যেখানে একবার বিনিয়োগ করলে মিলবে 8.25 শতাংশ সুদ।
FD তে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে এই ব্যাঙ্ক
অবসরের পর কিংবা নিজের কর্মজীবনে গচ্ছিত অর্থ FD তে বিনিয়োগ করতে চাইলে বেছে নেওয়া যেতে পারে স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক সূর্যোদয়কে। এই ছোট্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাত্র 5 বছরের মেয়াদে ফিক্সড ডিপোজিটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে 8.25 শতাংশ সুদ দিচ্ছে বিনিয়োগকারীদের। বর্তমানে ভারতের বাজারে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানই সবচেয়ে বেশি FD রিটার্ন দেওয়ার নিরিখে এগিয়ে।
এছাড়াও বেছে নেওয়া যেতে পারে উৎকর্ষ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ককে। 666 দিনের FD তে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান 8.10 শতাংশ সুদ দিয়ে থাকে। পাশাপাশি ইকুইটাস স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক মাত্র তিন বছরের FD এর ক্ষেত্রে 8 শতাংশ সুদ দেয়। একইভাবে ইএসএএফ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক 800 দিনের ফিক্সড ডিপোজিটের ক্ষেত্রে 8 শতাংশ সুদ দিয়ে থাকে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, শেয়ার বাজারের ঝুঁকি নিতে না চাইলে এই ধরনের ব্যাঙ্কের FD তে বিনিয়োগ করে নিজের গচ্ছিত অর্থ বাড়িয়ে নিতে পারেন।
আরও পড়ুন: মহাদেবের কৃপায় ভাগ্যের চাকা ঘুরবে ৬ রাশির! আজকের রাশিফল, ৫ অক্টোবর
প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক SBI 18 মাসের বেশি এবং দুবছরের কম মেয়াদের FD এর ক্ষেত্রে 7.65 শতাংশ সুদ দেয়। ডিসিবি ব্যাঙ্ক আবার 25 মাসের কম মেয়াদের ক্ষেত্রে 7.50 শতাংশ সুদ প্রদান করে। অন্যদিকে দেশের সবচেয়ে বড় প্রাইভেট ব্যাঙ্ক HDFC 3 বছর 1 দিন মেয়াদের কম এবং 4 বছর 7 মাসের বেশি মেয়াদের ফিক্সড ডিপোজিটে 6.50 শতাংশ সুদ দেয়।
(শেয়ার বাজার হোক কিংবা ব্যাঙ্কের যেকোনও স্কিম, বিনিয়োগ করার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারেন। আমাদের প্রতিবেদন শুধুমাত্র পাঠকদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য তৈরি।)