=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.

৩ সন্তান চাকরি করলেও ভিক্ষার ঝুলি হাতে বৃদ্ধ দম্পতি! চোখের জলেই কাটছে দিন

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: শেষ জীবনে সর্বহারা নৈহাটির (Naihati) নিরঞ্জন পল্লির (Niranjan Pally) বাসিন্দা শংকর পাল ও তাঁর স্ত্রী। একসময় নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে দুই ছেলে ও এক মেয়েকে মানুষ করেছেন। ছেলেদের একজন চাকরিসূত্রে বোম্বেতে থাকেন, অন্যজন দিল্লিতে। মেয়ের সংসার শ্যামনগরে। কিন্তু বয়সের ভারে যখন বাবা-মায়ের পাশে সন্তানদের প্রয়োজন, তখনই হাত ছেড়ে দিয়েছেন তিন সন্তান।

ভিক্ষে করে কোনও রকমে সংসার চলে তাঁদের

অভাবের সংসারে কোনওরকমে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির। সংসার চালানোর মতো নির্দিষ্ট কোনও আয় নেই। তাই বয়সের কথা ভুলে লোকের বাড়িতে গিয়ে ভিক্ষা করেই কোনওমতে দু’বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে হয় তাঁদের। তার উপর বৃদ্ধার চোখের দৃষ্টিও প্রায় চলে গিয়েছে। ঠিকমতো দেখতে পান না তিনি। চিকিৎসা করানোর মতন অর্থও নেই। মা-বাবাকে এক প্রকার ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে তিন সন্তান।

বৃদ্ধ দম্পতির অভিযোগ, সন্তানদের পড়াশোনা করিয়ে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে তাঁরা অনেক কষ্ট করেছেন। সঞ্চয় বলতে কিছুই অবশিষ্ট রাখেননি। কিন্তু আজ তাঁরাই যখন বার্ধক্যে পৌঁছেছেন, তখন সন্তানদের কাছ থেকে সেই অর্থে কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না। এমনকী ছেলে কখনও বাড়িতে এলে বাবা-মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তাঁরা। তাঁদের রাস্তায় কিংবা বাড়ির বারান্দায় রাত কাটাতে হয় বলে অভিযোগ।

বৃদ্ধ দম্পতির কথায়, বয়স আর আগের মতো নেই। এখন শরীরও ধীরে ধীরে সঙ্গ ছাড়ছে। ফলে আর কতদিন ভিক্ষা করে দিন চালানো সম্ভব হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, একটা সময় হয়তো আর ভিক্ষা করার মতো শারীরিক ক্ষমতাও থাকবে না। তখন খিদের জ্বালায় মরেই যেতে হবে তাঁদের।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে কোয়েল মল্লিক, বাংলাদেশি গ্রেফতার…! আজকের সেরা ১০ খবর (৪ অক্টোবর)

সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়তে যাঁরা জীবনের সেরা সময়টা অবলীলায় দিয়ে দিয়েছেন, বার্ধক্যে এসে সেই বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কেউ নেই। ছেলেরা না হয় বাইরে থাকে, কিন্তু মেয়ে? না, সেও একবারের জন্যও খোঁজ নেয় না বাবা-মায়ের। বৃদ্ধ জানান, তাঁর স্ত্রীর হাত ধীরে ধীরে অবশ হয়ে আসছে। এমন দুরবস্থায় এখন মানুষের সাহায্যই তাঁদের একমাত্র ভরসা।

Leave a Comment